১২৫তম মিনিটের পেনাল্টি গোলে হৃদয় ভাঙল সেনেগালের
১২৫তম ম ন ট র প ন – ১২৫তম মিনিটের পেনাল্টি গোলে সেনেগালের আফ্রিকান দল কী করে বিপদে পড়েছিল তা বুঝতে হল এই খেলার সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া দেখে। যদিও ম্যাচের বেশির ভাগ সময় বেলজিয়াম এগিয়ে ছিল, সেনেগালের প্রতিযোগিতা কখনও শেষ হয়নি। আফ্রিকান দল সব পরিস্থিতি সম্মুখ করে বেশি গোল করেছিল। কিন্তু রেফারি হেক্টর মার্তিনেজের কাছে তাদের নির্মম সিদ্ধান্ত কী করে সেনেগালের হৃদয় ভাঙে তা বুঝতে হবে।
খেলার ক্রমবর্ধমান প্রক্রিয়া
১২০ মিনিটে ম্যাচ বিপর্যয় ঘটে গেল। ইউরি টিলেমান্স দ্বারা পেনাল্টি গোল করে বেলজিয়াম নির্ধারিত ফলাফলে সমাপন করে। সেনেগাল খেলোয়াড়দের মধ্যে বিশেষ ভাবে দুঃখিত হয়েছিলেন লামিনে কামারা। তিনি ইতিমধ্যে বেলজিয়ামের খেলোয়াড়দের ক্রিয়া চেক করেছিলেন কিন্তু পাওয়ার আগে তিনি ঘটনার সম্ভাবনা দেখেছিলেন।
ম্যাচের সামনে ছিল নির্মম বিজয়ের আশার সম্ভাবনা। সেনেগালের সব খেলোয়াড় বেলজিয়ামকে কী করে কাছাকাছি পৌঁছাল তা ছিল ক্রমবর্ধমান সংগ্রামের পরিচয়। সেনেগালের মুখ্য দল সব সময় তাদের শক্তি দেখাচ্ছিল। প্রথম গোল হাবিব দিয়ারার দ্বারা প্রাপ্ত হয়েছিল ২৪ মিনিটে। দ্বিতীয় গোল ইসমাইলা সার দ্বারা ৫১ মিনিটে আবার সেনেগালকে এগিয়ে দেয়া হয়।
সেনেগালের অবিচলিত সংগ্রাম
৮৫তম মিনিট পর্যন্ত সেনেগাল সামনে ছিল। তবে বেলজিয়াম স্থির ছিল না। দুই গোলের পর সেনেগাল জুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। কিন্তু সেনেগালের খেলোয়াড়রা যে ক্ষোভের সম্মুখীন হননি তা বুঝতে হল ম্যাচের পরে তাদের করা প্রতিক্রিয়া থেকে। এই মুহূর্তে পেনাল্টি নির্ধারণের পূর্বে তিনি কিছু অবিচলিত ছিলেন।
রেফারি হেক্টর মার্তিনেজ সেনেগালের দুঃখের চূড়ান্ত পরিচয় সম্পর্কে বিশেষ কিছু বলেছিলেন। পেনাল্টি গোলে সেনেগাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল কিন্তু তারা ক্ষমতা হারাল না। টিলেমান্স দ্বারা গোল করার পর সেনেগালের সব খেলোয়াড় কাঁদতে লাগে। এই প্রসঙ্গে সেনেগালের খেলোয়াড়দের সামনে বাড়তি সময় ছিল।
১২৫তম মিনিটের পেনাল্টি গোল
সেনেগালের লামিনে কামারার প্রতি সম্পূর্ণ খেলা শেষে একটি নির্মম অনুভূতি রয়েছে। পেনাল্টি নির্ধারণের পূর্বে বল তার ক্ষেত্রে ঘটে গেল। সেনেগাল খেলোয়াড়দের মধ্যে অত্যন্ত অস্থিরতা ছড়িয়ে পড়ে। মনিটরে চেক করতে গেছেন রেফারি যখন পেনাল্টি গোলে সেনেগালের দুঃখ ক্ষীণ হয়।
১২৫তম মিনিটের পেনাল্টি গোলে বিপদের সম্পূর্ণ সমাপন করা হয়। যদিও সেনেগালের মুখ্য খেলোয়াড়রা যে বিপদ আসে তা কিছুক্ষণ আগে আশা করেছিলেন। বিশেষ করে লামিনে কামারা আর টিলেমান্স এই গোলের আগে আগ্রাণী ছিলেন। যার ফলে সেনেগালের আশার পরিবর্তে স্থিরতা ছড়িয়ে পড়ে।
পেনাল্টি গোলে সেনেগালের পরাজয়ে তাদের করা ক্ষতি বিশ
