প্যারাগুয়ে এমন সময় আর কবে পেয়েছে জার্মানি হারানোর স্বাদ
এমন দ ন প য র গ – বোস্টনে একটি অপূর্ব মুহূর্ত হিসেবে প্যারাগুয়ে খেলোয়াড়দের অশ্রু ঢেউ ছড়ায়। সেই আনন্দের ছায়া আসুনসিওনের রাস্তায় ছড়িয়ে পড়ে। খেলোয়াড়দের মুখে বিস্ময়, অবিশ্বাস ও আনন্দের ভাষা স্পষ্টভাবে পড়া যায় বার্তা সংস্থা ও সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত স্থিরচিত্রগুলোতে।
টাইব্রেকারে জার্মানিকে হারিয়ে প্যারাগুয়ে শেষ ষোলোতে পৌঁছেছে। নেদারল্যান্ডস এবং মরক্কোর ম্যাচে জার্মানি ছিল প্রাধান্য বিস্তারের পক্ষে সক্ষম। কিন্তু তাদের সব চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। গ্রুপ পর্বে এর আগে তারা ইকুয়েডরের কাছে হেরেছিল।
প্যারাগুয়ে তাদের কৃতিত্ব দেখায় মাঠে। সাবেক উইঙ্গার প্যাট নেভিন বলেন, এটি প্যারাগুয়ের ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে বড় জয়গুলোর একটি।
লড়াইয়ে বিশ্বাস হয়নি প্যারাগুয়ের খেলোয়াড়দের জন্য
“এই মুহূর্তে আমাদের অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। সতীর্থদের নিয়ে, পুরো দলকে নিয়ে আমি ভীষণ গর্বিত। আমাদের টুর্নামেন্টে টিকে থাকার প্রাপ্যতা ছিল। আমরা দল হিসেবে অসাধারণভাবে একতাবদ্ধ এবং মানসিকভাবে খুব শক্তিশালী ছিল।”
গুস্তাভ গোমেজ আজকের ম্যাচে প্যারাগুয়ে দল আসলে কী দিয়ে গড়া তা প্রমাণ করেছেন। তিনি বলেন, “জার্মানি জানত, তাদের জন্য ম্যাচটি সহজ হবে না। তারা জানত আমরা শেষ পর্যন্ত হার এড়াতে চেষ্টা করব। এই লড়াই আর ফল আমরা প্যারাগুয়ের সব মানুষের জন্য উৎসর্গ করছি।”
জার্মানির বিদায়ের পর কেন এমন ফল আসে, সে প্রশ্নে কাই হাভার্টজ বলেন, “বিশ্বকাপের মতো টুর্নামেন্টে প্রতিটি মুহূর্তে নিজের সর্বোচ্চটা দিতে হয়। আমার মনে হয় না, আমরা খারাপ ফুটবল খেলেছি। কিন্তু প্রতিবারই যেন কোথাও না কোথাও কিছু কমতি থেকে গেছে, আজও তার ব্যতিক্রম হয়নি।”
এবারের বিশ্বকাপ নিয়ে তাদের অনেক পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু আবারও সমর্থকদের হতাশ করতে হয়েছে, যা খুবই কষ্টের। দল সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে বলে তিনি দাবি করেন।
