সমুদ্রপথে বিদেশযাত্রাকে না বলুন
সম দ রপথ ব দ শয ত – শনিবার কক্সবাজারে অনুষ্ঠিত গোলটেবিল বৈঠকে সমুদ্রপথে বিদেশযাত্রা বন্ধ করার প্রয়োজনিতে আলোচনা হয়। ব্র্যাক ও প্রথম আলো সহযোগিতায় অস্ট্রেলিয়া সরকারের প্রতিনিধি সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে এ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে আলোচিত হয় যাত্রার জন্য অবৈধ কারিগরি প্রশিক্ষণকেন্দ্রের ক্ষমতা এবং সমাজে সচেতনতা বৃদ্ধির প্রয়োজন।
সমুদ্রপথে যাত্রার ঝুঁকি কমানোর প্রয়োজন
রুখতে হবে এখনই সমুদ্রপথে ইউরোপ ও অস্ট্রেলিয়াসহ বিভিন্ন দেশে বিদেশযাত্রা বন্ধ করা হবে বলে মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ থেকে দেশের মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয়েছে এ ঝুঁকি কমানোর কাজ অব্যাহত রাখা আবশ্যক। তিনি জানান যে দেশে ১০৪টি কারিগরি প্রশিক্ষণকেন্দ্র রয়েছে কিন্তু কিছু কেন্দ্র পর্যাপ্ত মানসম্পন্ন নয়।
তিনি বলেন, ‘এগুলোর মান বাড়ানোর জন্য কাজ চলছে। সমুদ্রপথে বিদেশযাত্রা বন্ধে ইউনিয়ন পর্যায়ে প্রচারণা চালানো আবশ্যক।’
এ ধরনের বিদেশগামীদের জন্য সমুদ্রপথে সচেতনতা বাড়ানো ও সার্বিক প্রচারণার কাজ চালানো প্রয়োজন বলে প্রতিমন্ত্রী মন্তব্য করেন। তিনি জানান যে রুখতে হবে এখনই এ সমস্যা কমানোর জন্য সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, এনজিও এবং রাজনীতিবিদের সম্পৃক্ত করতে হবে।
প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা
কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান বলেন, সমুদ্রপথে বিদেশযাত্রা রুখতে প্রশাসন বেশি তৎপর। এনজিও এবং সাধারণ মানুষকে প্রশাসনের সহযোগিতায় সমাজের সক্রিয় অংশগ্রহণ করতে হবে। শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনের ক্যাম্প ইনচার্জ সুরাইয়া আক্তার সুইটি বলেন, রোহিঙ্গাদের মধ্যেও সমুদ্রপথে বিদেশযাত্রার প্রবণতা বেশি। বিশেষ করে কিশোরীদের এ ঝুঁকি নেয়া হয় ভালো স্বামীর প্রলোভন দেখিয়ে মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ায় পাচারের শিকার হয়ে পড়েন।
মানুষের স্বপ্ন এবং বিপর্যয়
সমুদ্রপথে যাওয়ার স্বপ্ন এবং অর্থনৈতিক মুক্তির আশায় অনেক মানুষ অবৈধভাবে ইউরোপ ও অস্ট্রেলিয়াসহ বিভিন্ন দেশে যাওয়ার ঝুঁকি নেয়া হয়। দালালদের প্রলোভন দেখিয়ে অনেকে জমিজমা বিক্রি করে ধার করে এ রুটে যাত্রা করেন। তাঁদের সহায়তা করতে হবে না বলুন এ দিকে নিশ্চিহ্ণ করতে হবে।
প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক বলেন, ‘যাঁরা শেষ পর্যন্ত সমুদ্রের তীরে ভিড়তে পারেন, সেখানে পুলিশের হাতে আটক হন। এ ধরনের ঘটনা শুধু ভুক্তভোগী নন, তাঁর পরিবার ও সমাজের জন্য ম
