Uncategorized

‘ইচ্ছা করেই এমন প্রশ্ন রাখা হয়, যেগুলো বিব্রতকর’

নাবিলার সাথে আলোচনা হয়েছে সিনেমার চরিত্র ও কর্মস্থলে সমস্যা নিয়ে ইচ ছ কর ই এমন প রশ - মাসুমা রহমান নাবিলা তার অভিনয় প্রস্তুতি এবং ক্যারিয়ারের পরিকল্পনা

Desk Uncategorized
Published June 30, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

নাবিলার সাথে আলোচনা হয়েছে সিনেমার চরিত্র ও কর্মস্থলে সমস্যা নিয়ে

ইচ ছ কর ই এমন প রশ – মাসুমা রহমান নাবিলা তার অভিনয় প্রস্তুতি এবং ক্যারিয়ারের পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলেছেন নাজমুল হক সাথে। তাঁর সিনেমাগুলোতে অনেক বিশিষ্ট চরিত্র দেখা যায়, যেমন কোনো সময় সুগন্ধি কারখানার রহস্যময়ী নারী, কিন্তু অন্য সময় যৌনপল্লির বিশাখা হিসেবে তাঁকে চিহ্নিত করা হয়। মাসুদ হাসান উজ্জ্বল পরিচালিত বনলতা সেন নামক সিনেমার মাধ্যমে তিনি নতুন পরিচিতি পেয়েছেন।

নাবিলার ভাবনা

আমি ফিরে তাকালে মনে হয় আমি কম কাজ করলেও অনেক ভাগ্যবান। কারণ আমার নানা সিনেমাগুলো সম্পূর্ণ অজানা হয়ে গেল না, দর্শকদের হাতে বিপ্লবী নারী কিংবা রাখালি চরিত্র কেমন দেখা যাবে। সেগুলো বাংলা সিনেমার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

নাবিলার বিশ্বাস সিনেমাটি তাঁর কর্মস্থলে বিশাল প্রভাব ফেলেছে। কিছু সময় মনে হয় এই কাজগুলো দিয়ে মানুষ তাঁকে ভুলতে বসেছে। কিন্তু এখন অনেকের মনে তাঁর স্মৃতি ফিরে এল। কোনো সিনেমা দেখেও অনেকে তাঁকে অন্য চরিত্র করার কথা ভাবতে পারে।

নারী নিয়ে সমস্যা

ব্যক্তিগতভাবে আমি কখনো পলিটিকসের শিকার হইনি। কিন্তু ইন্ডাস্ট্রিতে দলবাজি বা ফেবারিটিজম আছে, যার কারণে কাজ বেশি পায় কেউ। একজন পরিচালক আমাকে বলেছিলেন যে আমাকে নাকি দেখা যায় না, যেহেতু কোনো ফরমাল আমন্ত্রণ ছাড়া কাজ করা হয় না। আমার ছোট মেয়ে আছে, সেহেতু আমি হুটহাট কোথাও যেতে পারি না।

সিনেমার ক্ষেত্রে মানুষের মনে আমার স্বাভাবিক কাজগুলো আসে না। ফলে যারা সব সময় চোখের সামনে থাকে, তাদের কথাই নির্মাতাদের প্রথমে মনে আসে। এটাকে কেউ আমাদের ইন্ডাস্ট্রিতে ‘কমফোর্ট জোন’ বলেন।

বিশাখা এবং বিপ্লবী চরিত্রের প্রস্তুতি

নাবিলার বিশাখা এবং বিপ্লবী নারী চরিত্রগুলো অত্যন্ত পছন্দের। তারা প্রতিবাদী এবং স্ট্রং নারী হিসেবে প্রতিক্রিয়া পেয়েছেন। এই চরিত্র ধারণ করতে সাধারণ মানুষ সহজে তাঁকে তুলনা করতে পারে।

এই সিনেমার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল চরিত্রগুলো ধারণ করা। আমরা অনেক লম্বা সময় মহড়ার মধ্য দিয়ে গিয়েছি। প্রতিটি দৃশ্যের মহড়া হয়েছে কস্টিউম ও প্রপসসহ। প্রতিদিন সংলাপগুলো বলতে বলতে আমাদের চরিত্রের মনস্তত্ত্ব ধারণ করতে হয়েছিল। পরিচালক উজ্জ্বল খুবই পারফেকশনিস্ট। তিনি কোনো দ্বিধা নিয়ে অপ্রস্তুত অবস্থায় কাজ করতে চান না।

সিনেমার প্রতিক্রিয়া

আয়নাবাজি সিনেমার পর অনেক জায়গায় যেতে হয়েছে। কিন্তু বেশির ভাগ জায়গায় একই ধরনের প্রশ্ন। একই উত্তর দিতে দিতে নিজের কাছেও খারাপ লাগে। আর একজনের সম্পর্কে জানতে না-ই পারি, কিন্তু তার কাছ থেকে কিছু জানা বা তাকে এক্সপ্লোর করা সম্ভব।

নাবিলার মতে বনলতা সেন সিনেমাটি তাঁর জীবনে বিশাল প্রভাব ফেলেছে। এখন থেকে ব

Leave a Comment