বাংলাদেশে স্বাধীনতার পর থেকে টাকা পাচারের বিষয়টি উঠে এসেছে
৫০০ ও ১০০০ ট ক র ন – জাতীয় সংসদে বিএনপির সংসদ সদস্য এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন দুই মাসের মধ্যে ব্যাংকে জমা দেওয়ার সুযোগ দিয়ে বিশেষ ভাবে কমিশন বাতিল করার প্রস্তাব দেন। তিনি বলেন, এই কার্যক্রম দ্বারা দেশের মানুষের দ্বারা নিরাপদ অর্থ ব্যাংকে সঞ্চয় করার সুযোগ তৈরি হবে।
তিনি তুলে ধরেন যে বিশেষ ভাবে নোটগুলো বাতিল করলে কর প্রণোদনা প্রক্রিয়ায় সহায়তা করা সম্ভব। তিনি বলেন, ব্যাংকে জমা দেওয়া অর্থ কর বাদে নোট বাতিল করার পর তাদের জনগণের হিসাবে জমা দেওয়া সম্ভব হবে।
‘টাকা নেই। ব্যাংকগুলো লুট হয়ে গেছে। এত ব্যাংক দরকার কী বাংলাদেশে? এত ব্যাংকের দরকার নেই। এমপি হলে একটা ব্যাংক লাগবে, নেতা হলেই একটা লিজিং কোম্পানি লাগবে, এগুলো বন্ধ করতে হবে। ব্যাংকের সংখ্যা কমাতে হবে। জনগণের টাকা দিয়ে ব্যাংকের ঘাটতি পূরণ করতে হয়। তাই জনগণের আমানতের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।’
নোয়াখালী–১ আসনে বিএনপির সংসদ সদস্য মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেন, বিদেশে টাকা পাচারের কারণে দেশের অর্থনীতি ভেসে যাচ্ছে। ব্যাংক খাতে যারা অর্থ সঞ্চয় করতে পারেন না, তারা অতীতে লুটপাটে বিনিয়োগ করেছেন। কিছু মানুষ বিদেশে পাচার করতে চেয়েছিলেন, কিংবা স্বৈরাচারী শাসনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তারা বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ রেখেছেন।
তিনি দৃঢ় ভাষায় কর্মসংস্থান বাড়ানোর প্রয়োজন তুলে ধরেন। মানুষকে বিদেশে টাকা পাঠানোর পরিবেশ তৈরি করা হয়নি। কিন্তু সিঙ্গাপুর, দুবাই, কানাডা ও থাইল্যান্ডে মানুষ আস্থার সঙ্গে অর্থ রাখে। কারণ সেখানে সুনির্দিষ্ট পরিবেশ রয়েছে।
বিএনপি সরকারের প্রথম বাজেট নিয়ে মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং যুবকদের জন্য কাজের সুযোগ বাড়ানো আবশ্যক। তিনি জানান যে বিশ্বের অনেক দেশে ঘাটতির বাজেট হয়। বাংলাদেশেও অতীতে সব বাজেট ঘাটতির ছিল।
২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে নতুন পরিবেশ তৈরি হয়েছে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বে মাত্র তিন মাসের মধ্যে অর্থনৈতিক ভাবে এই বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে। লুটপাটের অর্থনীতি থেকে দেশকে উদ্ধার করার প্রচেষ্টা চলছে।
