সাংবাদিকদের অধিকার নিয়ে সোচ্চার আন্তর্জাতিক সংগঠন কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টস (সিপিজে) ছয় সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে
ছয় স ব দ ক র ব – সিপিজে বিশ্বাস করে যে ছয় সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সাইবার সুরক্ষা আইন ২০২৬ এবং মানহানি আইনের আওতায় মামলা করা হয়েছে, যার প্রতি প্রতিদিনের ছয় সাংবাদিকের বিরুদ্ধে জেরে করা হয়েছে। এই মামলার আক্রমণ সিপিজে মানহানি এবং চাঁদাবাজি আইনের মিথ্যা অভিযোগের মাধ্যমে হামলা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে। সংবাদমাধ্যমের অধিকার নিয়ে আন্তর্জাতিক সংগঠন দাবি করেছে যে ছয় সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে এবং এটি সাংবাদিকদের দমন প্রচেষ্টার অংশ হতে পারে।
মামলার প্রকৃতি ও বিষয়বস্তু
সিপিজে বলেছে যে ছয় সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে, যার কারণ হল প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের বিরুদ্ধে দুর্নীতির খবর প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ নিজেদের প্রমাণ হারিয়েছে। আসামীদের মধ্যে রয়েছে মেহেদী হাসান, আশরাফ আলী ফারুকী, সালেহ কায়সার এবং অন্যান্য সাংবাদিকদের নাম। সিপিজে এই মামলার প্রতি আক্রমণ হামলা বলে মনে করে এবং এটি ছয় সাংবাদিকের বিরুদ্ধে আইন কার্যকর করার প্রচেষ্টার অংশ হতে পারে।
বগুড়া প্রেসক্লাবের কোষাধ্যক্ষ তানভীর আলম রিমন মামলার সংক্ষিপ্ত বরাবর সিপিজে বলেছেন যে ছয় সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে এবং এটি একটি সামাজিক ও সংবাদমাধ্যমের মৌলিক অধিকার ভেদ করার চেষ্টা। সিপিজে মনে করে যে সরকার ছয় সাংবাদিকের বিরুদ্ধে আইন কার্যকর করার মাধ্যমে জনগণকে ভয় দেখানোর প্রচেষ্টা করছে। এই মামলার প্রতি পুলিশ এবং অন্যান্য সরকারি কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রতি সাংবাদিকের মৌলিক অধিকার নিয়ে উল্লেখযোগ্য আপত্তি উঠেছে।
আইনের প্রয়োগ এবং সাংবাদিকদের গ্রেপ্তারের অভিযান
ছয় সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা করার প্রক্রিয়া সিপিজে কে বিশ্বাস করে যে সাইবার সুরক্ষা আইন ২০২৬ ব্যবহার করা হয়েছে এবং মানহানি আইন দ্বারা সাংবাদিকদের জেরে ছয় সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সংখ্যায় জেলা বাড়ানো হয়েছে। এই আইনের ব্যবহার একটি অস্পষ্ট এবং অতিরিক্ত ভাবে সাংবাদিকদের উপর চাপ বৃদ্ধি করছে। সিপিজে আবেদন করেছে যে ছয় সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার করা আবশ্যক এবং এটি প্রতিদিনের ছয় সাংবাদিকের ম
