Uncategorized

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি বাস্তবায়নে মধ্যস্থতা করে পাকিস্তানের কী লাভ হতে পারে

পাকিস্তানের কূটনৈতিক মধ্যস্থতির ফলাফল য ক তর ষ ট র ইর - পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এবং কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুলরহমান বিন জসিম

Desk Uncategorized
Published June 25, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

পাকিস্তানের কূটনৈতিক মধ্যস্থতির ফলাফল

য ক তর ষ ট র ইর – পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এবং কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুলরহমান বিন জসিম আল–থানির সঙ্গে সুইজারল্যান্ডের পাহাড়ি অবকাশযাপনকেন্দ্র বুর্গেনস্টকে গত সপ্তাহে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বৈঠক করেন। সেনাপ্রধান আসিম মুনির তাদের সামনে দাঁড়িয়েছিলেন। ভ্যান্স তাঁর বক্তৃতার শুরুতে মুনিরের দিকে ইঙ্গিত করেন এবং জানান, তিনি গত এপ্রিলে ইসলামাবাদে আগমনের সময় মুনিরের সঙ্গে বেশি কথা বলেছেন।

ভ্যান্স বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফকে সঙ্গে নিয়ে ইসলামাবাদে আমাদের স্বাগত জানানোর সময় থেকেই আমি রসিকতা করছি। আমার জীবনে দুই গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি আছেন—একজন ভারতীয় ও একজন পাকিস্তানি। ভারতীয় সেই ব্যক্তি হলেন আমার স্ত্রী এবং পাকিস্তানি হলেন ফিল্ড মার্শাল মুনির।’ তাঁর কথার পর কক্ষে হাসির লোকে আলোচনা করতে থাকে।

মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্টের বক্তব্যের পর ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান ইসলামাবাদে এক রাষ্ট্রীয় সফরে আসেন। এটি তাঁর গত সোমবার ইরানের প্রথম বিদেশ সফর। ইরান ও ইসরায়েলের যুগ্ম আগ্রাসনের পর ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে আলোচনার টেবিলে পাকিস্তানের সহযোগিতা বিশেষ গুরুত্ব রেখেছে। বিগত চার মাসে তেহরানের হিসাব-নিকাশে ইসলামাবাদের অবস্থান বদলে দিয়েছে এবং শান্তিচুক্তির জন্য এক সহমতি হাসিল হয়েছে। বর্তমানে তিনি এক মাসের মধ্যে আলোচনা চলছে।

পাকিস্তানি অর্থনীতিবিদের মতামত

লাহোরভিত্তিক অর্থনীতিবিদ হিনা শেখ মনে করেন, ইরানের সাথে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্টের সম্পর্কে পাকিস্তান খুব সীমিত অর্থনৈতিক লাভ বয়ে আনবে। তিনি বলেন, ‘হরমুজ প্রণালি খুলে গেলে জ্বালানি আমদানি খরচ কমতে পারে এবং ইরান-পাকিস্তান গ্যাস পাইপলাইন প্রকল্পে নতুন গতি আসতে পারে।’ তবে তিনি বলেন, এই প্রবৃদ্ধি ছাড়াও পাকিস্তানের সামান্য উৎপাদন বৃদ্ধির কারণে বেশি বিনিয়োগ হয়নি।

গত অর্থবছরে পাকিস্তান সর্বোচ্চ গতির ৩ দশমিক ৭ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় ৮ দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে ৩ হাজার ৩০০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। রাজস্ব ঘাটতিও উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। কিন্তু এসব সংখ্যা কেবল সাময়িক সুবিধা বলে মনে করা হচ্ছে।

হিনা শেখ জানান, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতির সুযোগে পাকিস্তানের অর্থনৈতিক সংকট সমাপ্ত হবে না। তবে এই সম্পর্কগুলো বাণিজ্যিক স্বস্তির নিশ্বাস ফেলার সুযোগ দেবে। যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানের দুর্বলতাগুলো দূর করতে পারেনি, যা আজও বহাল রয়েছে।

২০০১ সালের সেপ্টেম্বর সন্ত্রাসী হামলার পর যুক্তরাষ্ট্রের পাশে দাঁড়ানোর কারণে পাকিস্তান আন্তর্জাতিক সহায়তার সুবিধা পেয়েছিল। তবে এ পরিস্থিতি এখনো দেশের উৎপাদন বৃদ্ধির কারণে একটি স্থায়ী সমাধান হতে পার

Leave a Comment