চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক: উদীয়মান প্রাচ্যের জোয়ারে নতুন যাত্রা
চ ন ব ল দ শ সম – প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রতিষ্ঠান গ্রহণের শুরুতেই চীন সফরে যাচ্ছেন। এটি বাংলাদেশের পক্ষ থেকে চীনের সম্পর্ক গঠনের উদ্যোগ ও গুরুত্বপূর্ণ সমন্বয়ের সূচনা দেখায়। দুই দেশের গভীর রাজনৈতিক আস্থা এই সফরের ভিত্তি হিসেবে অবতরণ করে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের আমন্ত্রণে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের ১৭তম ‘নিউ চ্যাম্পিয়নস’ সভায় অংশ গ্রহণ করছেন। এই গুরুত্বপূর্ণ সফর বাংলাদেশ ও চীনের সহযোগিতা বৃদ্ধি করার প্রস্তাব দেয়।
চীন মনে করে যে দেশ ছোট বা বড়, শক্তিশালী বা দুর্বল, ধনী বা দরিদ্র সবাই আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির মধ্যে সমান সদস্য হিসেবে অংশগ্রহণ করে। সবার আন্তর্জাতিক বিষয়ে অংশ নেওয়ার অধিকার একই সমান।
১৯৭৫ সালের ৪ অক্টোবর চীন ও বাংলাদেশ কূটনৈতিক সম্পর্কের ভিত্তি স্থাপন করে। এ পর্যায়ে দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ বিনিময় শুরু হয়। তবে এই সম্পর্ক অনেক দীর্ঘ সময় ধরে পারস্পরিক সমান ভিত্তিতে বিকাশ ঘটেছে।
১৯৭৭ সালের জানুয়ারিতে তৎকালীন প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক ও সেনাপ্রধান জিয়াউর রহমান প্রথম চীন সফর করেন। সেই সময় চীন বাংলাদেশের স্বাধীনতা রক্ষার প্রতি সম্মান জনায়। পরবর্তী সময়গুলোতে এই সম্পর্ক ক্রমে বিকাশ লাভ করে।
বেগম খালেদা জিয়া মোট নয়বার চীন সফর করেছেন। তাঁর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পাঁচবার তাঁর সফর দ্বারা বাংলাদেশ ও চীনের পরস্পর সম্পর্কের স্থিতিশীল অগ্রগতি তৈরি হয়।
বর্তমানে দুই দেশই নিজ জাতীয় উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে পৌঁছেছে। বাংলাদেশ নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই জাতীয় ঐক্য ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা, অর্থনৈতিক উন্নতি এবং মানুষের জীবনমান বৃদ্ধির জন্য নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।
২০৩৪ সাল পর্যন্ত এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গঠনের লক্ষ্য দিয়েছে ন
