Uncategorized

বিডিআর সদস্যদের হত্যা করেন জিয়াউল, সিমেন্টের বস্তার সঙ্গে বেঁধে লাশ ফেলেন নদীতে

বিডিআর সদস্যদের হত্যা করেন জিয়াউল, সিমেন্টের বস্তার সঙ্গে বেঁধে লাশ ফেলেন নদীতে ব ড আর সদস যদ র হত - রোববার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ সাক্ষী হিসেবে

Desk Uncategorized
Published June 22, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

বিডিআর সদস্যদের হত্যা করেন জিয়াউল, সিমেন্টের বস্তার সঙ্গে বেঁধে লাশ ফেলেন নদীতে

ব ড আর সদস যদ র হত – রোববার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন সেনাসদস্য ইমরুল কায়েস। তিনি জিয়াউল আহসান নামে এক সৈনিক কর্মকর্তাকে বিডিআর সদস্যদের হত্যা করার সত্যায়িত ঘটনা বর্ণনা করেন। জিয়াউল আহসান বিডিআর হত্যাকাণ্ডের পর পলাতক সদস্যদের ধরার জন্য সারা দেশে ‘অপারেশন রেবেল হান্ট’ নামক অপারেশন পরিচালনা করেছিলেন বলে তিনি জানান।

সেনা ক্যাম্পের ভেতর দিয়ে বোটে করে ভুক্তভোগীদের নদীতে ফেলা হয় বলে জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। জিয়াউল একটি সিমেন্ট ভরা বস্তা রাখেন, এর উপর ভুক্তভোগীকে বসান এবং দুইটি বস্তা দিয়ে রাখা হয় তাকে রানার হিসেবে। তারপর গুলি করে নদীতে ফেলে দেওয়া হয়। ইমরুল কায়েস বলেন, জিয়াউল আহসান সেই সময় সর্বমোট ৮–১০ জন বিডিআর সদস্যকে হত্যা করেছিলেন।

“২০১২ সালের মাঝামাঝি একদিন জিয়াউল আহসান ও মেজর নওশাদ, স্কোয়াড্রন লিডার সাইফ সহ দুজন আসামিকে জাফলং সীমান্তে যাওয়ার জন্য রওনা হন। সেদিন মধ্যরাতে ভারত থেকে চার–পাঁচজন ব্যক্তি বেসামরিক পোশাকে আসেন এবং দুজন আসামি হস্তান্তর করেন।”

রংপুর সেনানিবাসে ওয়ারেন্ট অফিসার হিসেবে কর্মরত ইমরুল কায়েস বলেন, জিয়াউল আহসানের রানার হিসেবে কাজ করেছিলেন তিনি। তিনি বর্ণনা করেন, জিয়াউল গাড়িতে বসে কথা বলছিলেন সময়টি নির্ধারণ করার জন্য। জিয়াউল বলেন, “তুই রাখ, তারিক স্যার ফোন দিয়েছেন।” তারিক আহমেদ সিদ্দিক এবং শেখ হাসিনার সম্পর্ক জিয়াউল আহসানের কাছে পুনরুদ্ধার করেছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন।

জিয়াউলের গাড়ি অস্ত্র গোলাবারুদ বহন করত বলে ইমরুল কায়েস জানান। কিন্তু রানার হিসেবে যোগদানের ২০ থেকে ২৫ দিন পর জিয়াউল তাঁকে রাব্বি-১-এর সামনে আসতে আহ্বান জানান। রাব্বি-১ এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের গাড়ি থেকে অস্ত্র তল্লাশি করা হতো না বলে তিনি উল্লেখ করেন।

২০১২ সালের প্রথমের দিকে জিয়াউল আহসানের নেতৃত্বে পোস্তগোলা সেনা ক্যাম্পে যাওয়ার সময় ইমরুল কায়েস বলেন, তাঁরা সব আসামিকে বোটে উঠান। তখন একজন আসামি পানিতে ঝাঁপ দেন বলে অভিযোগ রয়েছে। জিয়াউলের আদেশে সাক্ষী তাকে ধরেন। এরপর নদীর মাঝখানে অন্য আসামিদের হত্যা করে সিমেন্ট ভরা বস্তার সঙ্গে বেঁধে ফেলে দেওয়া হয়।

রাব্বি-৪ এবং রাব্বি-১ এর কাছে আসামিদের হস্তান্তর করে

Leave a Comment