যুক্তরাষ্ট্র–ইরান চুক্তি স্বাক্ষরের পরও যে কারণে শঙ্কা
য ক তর ষ ট র ইর – যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রেসিডেন্টদ্বয় মধ্যে যুদ্ধ স্থায়ীভাবে বন্ধ করার জন্য একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছেন। এই আনুষ্ঠানিক চুক্তিকে ‘অন্তর্বর্তী চুক্তি’ বলা হচ্ছে। আগামী ৬০ দিনের মধ্যে সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় আলোচনা চলবে যাতে চূড়ান্ত চুক্তি নিশ্চিত হয়।
যুদ্ধের পরিণতি নিয়ে শঙ্কা অবশ্যই থাকছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল দুই দেশের বিরুদ্ধে সমাপ্তি সাধু হবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে। যদিও বাংলাদেশ সময় স্মারকের স্বাক্ষরের পর পরিস্থিতি সুস্থ হচ্ছে বলে চিহ্নিত করেছে।
গত বুধবার হুমকি জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। সমঝোতার শর্ত মেনে চললে ইরানে হামলা করা হবে বলে ঘোষণা করেন তিনি।
২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এই স্মারকে স্বাক্ষর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা বলে মনে করা হচ্ছে। যুদ্ধে সাত হাজারের বেশি মানুষ মৃত্যুবরণ করেছে। তাঁদের মধ্যে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে বাদ দিয়ে শীর্ষস্থানীয় নেতাদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
যুদ্ধের কারণে অর্থনৈতিক অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। এ ধাক্কা বাংলাদেশ সহ সারা বিশ্বের ওপর পড়েছে। এখন হরমুজ প্রণালি দিয়ে কিছু জাহাজ পারাপার হয়েছে। ফ্রান্সের পতাকাবাহী জাহাজ এবং ইরানের ১১টি জাহাজ গন্তব্যে চলেছে। এতে তেলের দাম প্রতি ব্যারেলে কমে ৭৯ ডলারের নিচে নেমেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সমঝোতার স্বাক্ষরের পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যে চুক্তি পৌঁছেছে, তাতে ট্রাম্পের অর্জন খুব কম বলে মনে করা হচ্ছে। ইরান যুদ্ধের আগে সময়ের তুলনায় কিছু সুবিধা করে নিয়েছে। যেমন বিদেশে জব্দ করা অর্থ ছাড় পাচ্ছে ইরান। এই হামলা কর্মসূচি নিয়ে ২০১৫ সালে প্রায় দুই বছর আলোচনা চলেছিল।
ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের কাছে ক্ষেপণাস্ত্র না থাকা ‘কিছুটা অন্যায্য’। সব মিলিয়ে এই সমঝোতা স্বাক্ষর করা ‘সহজ ছিল না’।
এখন সুইজারল্যান্ডে চূড়ান্ত চুক্তির আলোচনা শুরু হবে। এই আলোচনায় পাকিস্তান, কাতারসহ বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা যোগ দেবেন। পর্বতের শীর্ষে অবস্থিত একটি প্রমোদকেন্দ্রে এ আলোচনা চলবে। এতে ইরানের পরমাণু কর্মসূচি ও জব্দ করা অর্থ ছাড় নিয়ে আলোচনা হবে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সমঝোতার স্বাক্ষরের পর ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বাঘের গালিবাফ জানিয
