মাদ্রাসাছাত্রীর শরীরে কালশিটে দাগ দেখা যাচ্ছে, বেত্রাঘাতের অভিযোগ মাদ্রাসার পরিচালকের বিরুদ্ধে
প্রাথমিক ঘটনা ও অভিযোগ
ম দ র স ছ ত র জয়পুরহাট সদর থানায় প্রাথমিক খোঁজ পেয়ে সম্প্রতি একটি ঘটনা সামনে আসছে। সন্ধ্যায় একটি শিশুটি তার বাবার সঙ্গে থানায় আসে এবং শরীরে মারধরের চিহ্ন দেখায়। আহত শিশুটির বাবা গতকাল মঙ্গলবার সকালে জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ ঘটনার পর সমাজসেবা কার্যালয়ের প্রতিনিধি থানায় গিয়ে খোঁজ নেন এবং শিশুটির অবস্থা সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করেন।
অভিযোগ গৃহীত হয়েছে
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে মাদ্রাসার পরিচালক জালাল উদ্দিন বেত্রাঘাতের অভিযোগ জানানো হয়েছে। গত সোমবার সকালে শিশুটি পড়া বলতে পারেনি, তার কারণে তাকে মারধর করা হয়েছে। শিশুটির অবস্থার অবনতি হয়ে গেলে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এ বিষয়ে বাবা একটি এজাহার দিয়েছেন এবং মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করা হবে বলে জানান হয়েছে।
প্রায় দেড় বছর আগে মেয়েটিকে ম দ র স ছ ত র ভর্তি করানো হয়েছিল। এই ঘটনার পর তার বাবার সঙ্গে তার শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখা যাচ্ছে। যদিও প্রাথমিক সাক্ষাৎকারে পরিচালক জালাল উদ্দিন মারধরের কারণ বর্ণনা করেছেন, তবে তিনি কালশিটে দাগ বা আহত হওয়ার কথা নয় বলে দাবি করেছেন।
জয়পুরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নুরে আলম সিদ্দিকী জানান, শিশুটির বাবার লিখিত অভিযোগ সামনে আসার পর সমাজসেবা কর্মকর্তা খোঁজ নেন। এ বিষয়ে সর্বসাধারণ কর্মকর্তা অভিযোগটি তদন্বিতা করবেন বলে জানান।
মাদ্রাসার পরিচালক জালাল উদ্দিন এখনও তার অভিযোগ সম্পর্কে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তিনি জানান যে শিশুটি পড়তে না পারার কারণে তাকে মারধর করেছিলেন। কিন্তু মাদ্রাসার শিক্ষকদের কাজ হিসেবে তার পরিচালনা করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন।
বাংলাদেশের আইন অনুসারে শিশুদের শারীরিক শাস্তি নিষিদ্ধ। শিশু আইন ২০১৩-এর ৭০ ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে যে কোনো ব্যক্তি যে হেফাজতে বা দায়িত্বে থাকা শিশুকে আঘাত দিলে তা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। এ বিষয়ে মাদ্রাসার পরিচালক জালাল উদ্দিন বিরোধীদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানের আবেদন করেছেন।
