ট্রাম্পের সমঝোতা স্মারক প্রতি সমালোচনা ও পরবর্তী কার্যক্রম
চ ড় ন ত সমঝ ত চ – প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সাথে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের বিষয়ে কড়া অবস্থান জানিয়েছেন। তিনি আগ্রহ প্রকাশ করেছেন যে যদি চূড়ান্ত চুক্তির শর্ত তাঁর পছন্দ না হয়, তবে ইরানে আবারও হামলা চালানো যেতে পারে। সম্মেলনে তিনি বলেন, “এটি মূলত একটি সমঝোতা স্মারক। আমি যদি এটা পছন্দ না করি, তবে আমরা আবার তাদের ওপর হামলা চালাব, তাদের মাথার ওপর বোমা ফেলব।”
জি–৭ সম্মেলন গত সোমবার শুরু হওয়ার পর ট্রাম্প বলেন, মিত্রদেশগুলো তাঁর সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রক্ষার কথা বলেছেন কিন্তু ইরান সম্পর্কে সরাসরি যুদ্ধের সিদ্ধান্তে সমর্থন জানিয়েছেন না। নেতারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, ইরান কখনো পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে না পারে তার জন্য আলোচনা চলবে।
“এটি মূলত একটি সমঝোতা স্মারক। আমি যদি এটা পছন্দ না করি, তবে আমরা আবার তাদের ওপর হামলা চালাব, তাদের মাথার ওপর বোমা ফেলব।”
গত রোববার অনলাইনে সই হওয়া খসড়া নথি অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ সম্মেলনে অংশ নিয়েছেন। চূড়ান্ত চুক্তির নথি আগামী শুক্রবার জেনেভায় সরাসরি সই হওয়ার কথা রয়েছে।
জি–৭ নেতারা লেবাননে অবিলম্বে শক্তিশালী যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছেন এবং হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র করার পরিকল্পনাও তুলে ধরেছেন। চুক্তি অনুযায়ী হরমুজ প্রণালির ওপর নির্ভরতা কমানো হবে এবং ইরান যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সরবরাহ রুটে বৈচিত্র্য আনার পরিকল্পনা রয়েছে।
হরমুজ প্রণালি খোলার সম্ভাবনায় অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম কমেছে এবং ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৮০ ডলারের নিচে নেমে এসেছে, যা সংঘাত শুরুর পর সর্বনিম্ন। সমঝোতা স্মারকের প্রভাব এখন জ্বালানিবাজারে পড়তে শুরু করেছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তির মাধ্যমে ৩০ হাজার কোটি ডলারের তহবিল গঠনের পরিকল্পনা রয়েছে। বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে যে এতে গত এপ্রিল মাসে ঘোষিত যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আরও ৬০ দিন বৃদ্ধি করা হয়েছে। এ সময়ের মধ্যে স্থায়ী যুদ্ধবিরতির জন্য আলোচনা চলবে।
