সংকট পেরিয়ে কিংসের শিরোপা জয় ও তপু-সোহেলের উৎসবের গল্প
স কট প র য় ক স – সংকট পেরিয়ে কিংসের রাজত্ব শিরোপা জয়ে নির্ভর করেছে। শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামে ড্রেসিংরুমে গোমেজ আইস বাথ নিয়ে শরীরের ক্লান্তি দূর করতে হাত তুলেছিলেন। বরফশীতল সেই পানির ঝাপটা শুরু হলো তাঁর বুনো নাচের জন্য। সংকট পেরিয়ে কিংসের ষষ্ঠ শিরোপা জয়ে তাঁদের গোলে নিশ্চিত হওয়া আবাহনীর বিপক্ষে অঘোষিত ফাইনালে দুই গোল করেছেন তিনি। তাঁর কথা, “এত ভালো লাগছে যে ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়।”
লিগ শিরোপার পথে বিপন্নতা
সংকট পেরিয়ে কিংসের জন্য সবই কঠিন ছিল। শিরোপা পুনরুদ্ধার করেছে তাঁদের দল, এমনকি বেতন বকেয়া অভিযোগে তারিক কাজী ছেড়ে গেছেন। ওপরে রোমানিয়ান কোচ ও ফিজিওর অভিযোগে ফিফার কঠিন শাস্তি ঝুলছে। প্রথম পর্বের পর হেড কোচ ও ট্রেনার চলে গেলেন, বিদেশি দুজন খেলোয়াড় শেষ দিকে খেলেনি।
সংকট পেরিয়ে কিংসের সবচেয়ে গুরুতর সমস্যা ছিল বেতন দাবিতে। গত দশকে দেশের সবচেয়ে পেশাদার ক্লাব হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা কিংসের জন্য সবই বেমানান ছিল। যার ফলে শেষ পর্যায়ে ম্যাচগুলোতে দলটি মাত্র একজন বিদেশি নিয়ে মাঠে নেমেছে। তাই সত্ত্বেও সংকট পেরিয়ে কিংসের শিরোপা নিশ্চিত হয়েছে।
“অল প্লেয়ার…প্রত্যেক খেলোয়াড়ই এই দলের জন্য খেলেছে,” কোচ গোলাম জিলানী বলেন।
সংকট পেরিয়ে কিংসের সফলতার মূল ভিত্তি ছিল দলের বৃহৎ সংহতি ও স্থানীয় খেলোয়াড়দের মানসিক শক্তি। সবার আত্মবিশ্বাসের কারণে সংকট পেরিয়ে কিংসের জয়টা এসেছে। শেষ পর্যায়ে খেলোয়াড়দের প্রতিকূলতার কারণে রিমন হোসেন লাল কার্ডের মুখে পড়েছিলেন, রাকিব হোসেন তিন হলুদ কার্ডের কারণে আবাহনীর বিপক্ষে খেলতে পারেননি। কিন্তু ছেলেদের ওপর বিশ্বাস ছিল কোচ গোলাম জিলানীর কাছে।
সংকট পেরিয়ে জয়ের ছায়াতলে
সংকট পেরিয়ে কিংসের স্বাধীনতা কিছুটা গোলাপে ফুটেছে। তপু বর্মণের কণ্ঠে শোনা গেলো মৌসুমের কঠিনতার কথা, “আজ যদি আবাহনীর কাছে হারতাম, তবে লিগ হাতছাড়া হয়ে যেতে পারত।” তিনি বলেন, “ম্যাচটি আমরা ফাইনাল হিসেবেই নিয়েছিলাম। জয়টা এসেছে শুধু “টিম এফোর্ট” এবং সবার আত্মবিশ্বাসের কারণে।” সংকট পেরিয়ে কিংসের জয় আবাহনীকে হারিয়ে কেন্দ্র করে একটি উৎসব সৃষ্টি করেছে।
সংকট পেরিয়ে কিং
