নেত্রকোনার ঝটিকা মিছিলের ঘটনায় মামলা ও গ্রেপ্তার
ন ত রক ন য় ন ষ – নেত্রকোনা জেলার পূর্বধলা উপজেলায় বিনিয়োগ সংগঠন ছাত্রলীগ এবং যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের ব্যানারে ঝটিকা মিছিল চালানো হয়েছে। শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলা বিএনপির সদস্য জাহাঙ্গীর আলম পূর্বধলা থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় ছাত্রলীগের কর্মী মাসুদ রানা প্রধান আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। মোট আসামির সংখ্যা ৩৩ জন। অন্যদিকে অজ্ঞাতপরিচয় আসামি ৩৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মামলার প্রসঙ্গে আটক ছয়জনকে পুলিশ আদালতে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে। মামলার আটক ছয়জনের নাম হলো মুক্তিযোদ্ধা আওয়ামী প্রজন্ম লীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, ছাত্রলীগের মাসুদ রানা ও মাজহারুল ইসলাম, যুবলীগের শাহজাহান খান, আতাউর রহমান এবং হযরত আলী।
পূর্বধলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, গ্রেপ্তার ছয়জনকে আদালতে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। অন্যান্য আসামি ব্যক্তির গ্রেপ্তার অভিযান সম্পন্ন হয়নি।
গতকাল শুক্রবার সকালে শ্যামগঞ্জ-বিরিশিরি সড়কের ফাজিলপুর বাজার এলাকায় ঝটিকা মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহাদত হোসাইন এবং উপজেলা যুবলীগের সহসভাপতি রাউফির রায়হান মিছিলে নেতৃত্ব দেন।
পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দার তথ্য অনুযায়ী, গতকাল সাড়ে ছয়টার দিকে মিছিলটি হঠাৎ শুরু হয়। মিছিলের ২ মিনিট ৫২ সেকেন্ড ব্যাপী একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে দেখা যায়, জাতীয় পতাকা হাতে শাহাদত হোসাইন নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তাঁর পেছনে ৬০–৭০ জন নেতা-কর্মী বিভিন্ন স্লোগান দিচ্ছেন। অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে একজনের মাথায় হেলমেট দেখা গেলেও বেশির ভাগ মুখে মাস্ক পরে নেতৃত্ব দিয়েছেন।
অপরপক্ষে শুক্রবার সকালে নেত্রকোনা সদর উপজেলার সিংহের বাংলা ইউনিয়নের বাইপাস সড়কে জেলা যুবলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গৌরব আহমেদ খানের নেতৃত্বে আরেকটি ঝটিকা মিছিল ঘটেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ৪৬ সেকেন্ডের ভিডিওতে তাঁকে ব্যানারের সামনে দাঁড়িয়ে স্লোগান দিতে দেখা গেছে। তাঁর পেছনে ২০–২৫ জন ব্যক্তি মুখে মাস্ক পরে মিছিলে অংশ নেন।
