তৃণমূল কংগ্রেস কেন তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ছে
মমত র ত ণম ল ক গ – পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির ক্ষমতায় আসার পর তৃণমূল কংগ্রেস ভেঙে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। গত ২৪ মে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপিকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন যে পশ্চিমবঙ্গে যে সব অত্যাচার করা হয়েছে, তার সমান ক্ষতি দিল্লিতে হবে। তিনি এই মন্তব্য করেন যখন বিধানসভার সংকট ঘটছিল। এই বিবাদের মূল হল সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি তৃণমূলের অনেক নেতার তির।
দিল্লি ও বাংলার প্রাথমিক সংকট
গত দুই সপ্তাহে তৃণমূলের ভাঙার চক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। গত সপ্তাহে বিধানসভায় বিরোধীদলীয় নেতা নির্বাচনের সময় দলের ৮০ জন এমএলএ মমতার সিদ্ধান্ত অমান্য করে ভোট দিয়েছিলেন। তারপর গত সোমবার লোকসভায় তৃণমূলের এমপিরা দুই গোষ্ঠীতে বিভক্ত হয়ে পড়েছেন।
তৃণমূলের প্রবীণ এমপি কাকলি ঘোষ দাবি করেন, দলের ২৮ জন লোকসভা এমপির মধ্যে ২০ জন বিজেপির নেতৃত্বে এনডিএ জোটে যোগ দিয়েছেন।
জাতীয় স্তরে তৃণমূল ছিল বিজেপির বিরুদ্ধে প্রধান শক্তি। তবে এই ভেঙে পড়ার পেছনে উভয় পক্ষই সাংগঠনিক কাঠামোর চরম ধ্বংস এড়িয়ে গেছে। গত ৪ মে বিধানসভা ফলাফল প্রকাশের পর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে দায়ী করে তৃণমূল নেতারা আরও বেশি চাপ পেয়েছেন।
ভরাডুবির জন্য অভিষেককে দায়ী করা হয়েছে
আই-প্যাক নামে একটি রাজনৈতিক পরামর্শক সংস্থার প্রতি অভিষেকের গুরুত্ব দেওয়ার কারণে দীর্ঘদিনের নেতাদের অপসারণ ঘটেছে। এই নিয়োগ চূড়ান্ত হওয়ার পর তৃণমূল কলকাতা হাইকোর্টে আবেদন করেছে। কিন্তু সেই সাথে তৃণমূলের অনেক নেতা অভিষেকের বিরুদ্ধে লড়াই করছেন।
বিজেপির সামনে যে সংকট তৈরি হয়েছে
গত মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘এই নেতারা অভিষেককে যুবরাজ বলতেন, সেনাপতি বলতেন। তাহলে এখন কী পরিবর্তন হলো? আমরা ক্ষমতায় নেই বলেই কি এই রূপ?’ তিনি দাবি করেন যে তৃণমূলের বিদ্রোহীরা ক্ষমতার লোভে বিজেপির ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন।
বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর থেকে তৃণমূল নেতাদের গ্রেপ্তার করার ঘটনা তাঁদের বিভ্রান্তির কারণ হয়েছে। এর মাঝখানে ইউসুফ পাঠানের বিদ্রোহে সম্প্রদায়িক সহিংসতার পর তৃণমূলের সহিংসতা অপেক্ষাকৃত বেশি দেখা গেছে। কৃষ্�
