বিএনপি সরকারের প্রথম বাজেটে আন্তরিকতার ছাপ স্পষ্ট, বাস্তবায়নে চ্যালেঞ্জ
আন তর কত র ছ প স – বিএনপি নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার দীর্ঘ দুই দশক পর মানুষের আকাশচুম্বী প্রত্যাশার চাপ মাথায় নিয়ে প্রথম বাজেট পেশ করেছে। অর্থনৈতিক চাপে নিয়োজিত মহল আন্তরিক নীতি ও ব্যবসায়ী সম্প্রদায় এখন বাজেটের চুলচেরা বিশ্লেষণ করছে। গণতান্ত্রিক, মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতির অভিযাত্রা হিসেবে বাজেটের শিরোনাম দেওয়া হয়েছে।
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জাতীয় সংসদে বৃহস্পতিবার ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য বিশাল বাজেট প্রস্তাব করেন। সেই বাজেটে করমুক্ত আয়সীমা বৃদ্ধি, ফ্রিল্যান্সার ও স্টার্টআপদের জন্য বড় ছাড় এবং সৌরবিদ্যুৎ ও পরিবেশবান্ধব বৈদ্যুতিক যানবাহনের প্রণোদনা সহ নানা উদ্যোগ রয়েছে। তবে সাধারণ মানুষ আরও দৃশ্যমান স্বস্তি ও কাজের প্রতিফলন দরকার বলে মনে করছে।
নিত্যপণ্য খাতে কর কমানো ছাড়াও বিপুল ক্রমবর্ধমান ব্যয়
বিশেষ করে নিত্যপণ্যের উৎসে কর কমানোর প্রভাব বাজারে কতটা পড়বে সে প্রশ্ন গুরুত্বপূর্ণ। অর্থনীতিবিদদের মতে, প্রস্তাবিত বাজেটে উচ্চাভিলাষী লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও কৌশলগত দিকনির্দেশনা বেশি দুর্লক্ষ্য হয়েছে। অর্থমন্ত্রী সাড়ে ৭ শতাংশে মূল্যস্ফীতি নামানো এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি সাড়ে ৬ শতাংশ করে লক্ষ্য নির্ধারণ করেছেন। গ্যাস-বিদ্যুৎ-জ্বালানি খাতে বৃদ্ধি পাওয়া সংখ্যাগুলি সেই লক্ষ্য পূরণে বাধা হতে পারে।
বাজেটে বড় আতঙ্কের জায়গা হলো ঘাটতি ও ঋণনির্ভরতা। আগে বৈদেশিক ঋণপ্রাপ্তির পরিমাণ ছিল মাত্র ৫৮ হাজার কোটি টাকা, বর্তমান বাজেটে তা প্রায় দ্বিগুণ বাড়িয়ে ১ লাখ ৯ হাজার ৮৫০ কোটি টাকা হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। ব্যাংক খাত থেকে ঋণ নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা অভ্যন্তরীণ উৎস বৃদ্ধি করতে পারে। এ ক্ষেত্রে আর্থিক ও মুদ্রানীতির সমন্বয় অপরিহার্য।
আন্তরিকতার ছাপ ছাড়া নিত্যপণ্য উৎপাদনকারীদের প্রতি শুল্ক বৃদ্ধি করেছে সরকার। বিদেশ থেকে আমদানিকৃত বিপুল পণ্যের ওপর শুল্কহার বৃদ্ধি করে দেশীয় উৎপাদন ও ব্যবসায়ীদের ক্ষতিকর প্রভাব কমানো হয়েছে।
আর্থিক রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে �
