শান্তিচুক্তির ইঙ্গিত যুক্তরাষ্ট্র–ইরানের, যুদ্ধে বিজয় দাবি তেহরানের
যুদ্ধ বন্ধে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে
শ ন ত চ ক ত র – ইরান এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান যুদ্ধ অবশেষে অনিশ্চয়তা কাটতে যাচ্ছে। পশ্চিমা সূত্র অনুযায়ী, যুদ্ধ বন্ধ করার জন্য দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা স্মারক চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। আগামী রোববার সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় এটি সই করতে পারে তেহরান এবং ওয়াশিংটন।
সমঝোতার প্রস্তুতি প্রায় ৮ এপ্রিল থেকে শুরু হয়েছিল। তখন থেকে প্রতিটি পক্ষের সূত্র যুদ্ধ বন্ধে প্রগতি ঘটছিল। আবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এর বিরুদ্ধে হামলা চালানোর হুমকি দেন কিছু সময় আগে। তবে কিছুক্ষণ পরে তিনি হামলা বন্ধ করার ঘোষণা দেন। কারণ এ সময়ে দুই দেশের মধ্যে চুক্তি প্রস্তুত হচ্ছে।
“যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধে ইরানই বিজয়ী,” বলেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।
পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে ট্রাম্পের আগ্রাসন শুরু হয় ২৮ ফেব্রুয়ারি। পরে মার্চের ২ তারিখে ইসরায়েল হিজবুল্লাহের সমর্থনে লেবাননে হামলা চালায়। সেদিন থেকে ইসরায়েল লেবাননে অব্যাহত হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। তেহরান আগে থেকে জানিয়েছিল যে লেবাননে হামলা বন্ধ হলে যুদ্ধ বন্ধে সমঝোতি সম্ভব হবে না।
তবে ইরানের পাররাষ্ট্রমন্ত্রী বলছেন, সমঝোতার মাধ্যমে তেহরান আত্মপ্রকাশ করছে শক্তিশালী হিসেবে। তাঁদের পক্ষ থেকে এতে অবরোধ প্রত্যাহার এবং হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তেহরানের এ বিষয়টি আবারও ঘোষণা করেছেন আব্বাস আরাগচি।
আলোচনায় এলেও দুই পক্ষের পক্ষ থেকে দিন বা স্থান নিশ্চিত করা হয়নি। রোববার সুইজারল্যান্ডে সমঝোতা স্মারকের প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ কে সই করার সম্ভাবনা আছে।
চুক্তির শর্তগুলো আলোচনা প্রস্তুত
সমঝোতার শর্তগুলো নিয়ে কয়েক সপ্তাহ ধরে আলোচনা চলছে। খসড়া সমঝোতার মাধ্যমে ইরান যুদ্ধের ক্ষতি পরিপূরণ করতে চাচ্ছে। প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও অস্ট্রিয়ার সাবেক সামরিক কর্মকর্ত
