ভার্চুয়াল দুনিয়ায় বরকত লাভের ৫ উপায়
ভ র চ য় ল দ ন – সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রভাব বৃদ্ধি পেয়েছে যে আমাদের আধ্যাত্মিক উৎপাদনশীলতা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত এই অভ্যাস আমাদের জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত আক্রমণ করে আসছে। এখন আমাদের স্মার্টফোন থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে হবে না, বরং সেটি ইমান ও আধ্যাত্মিক উন্নতির সাধনা হিসেবে ব্যবহার করা উচিত।
১. জ্ঞান সংগ্রহে মুঠোফোনের সাহায্য নেওয়া
আগে জ্ঞান অর্জন করা কঠিন ছিল, কারণ মানুষ এক একটি হাদিস বা মাসআলা জানার জন্য মাইলের পর মাইল পথ চলতে হতো। আধুনিক প্রযুক্তির কারণে এখন হাদিস, কোরআন বা বিভিন্ন ইসলামিক অডিও অ্যাপ মুঠোফোনে পাওয়া সম্ভব। যেমন ইউটিউবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম দ্বারা ধর্মীয় আলোচনা শুনা যায়, এর মাধ্যমে আত্মার খোরাক পাওয়া সম্ভব। প্রতিদিনের যাতায়াতের সময় প্রাজ্ঞ আলেমের পডকাস্ট বা কোরআন তেলাওয়াত শুনে আমাদের বিশ্বাস শক্তিশালী করা যায়।
২. ভার্চুয়াল পরিবেশ সম্পূর্ণ পরিশোধন করুন
নিউজফিডে আসা পোস্টগুলো নিয়মিত পরিদর্শন করুন। কারণ আমরা যা দেখি তা আমাদের মনে গভীর প্রভাব ফেলে। ফ্রেন্ডলিস্ট বা ফলোয়িং লিস্ট দেখে হৃদয়ের পবিত্রতার প্রতি ক্ষতিকর বিষয়গুলো আনফলো বা আনফ্রেন্ড করুন। এই পদক্ষেপ মানসিক ও আত্মিক পরিশোধনে সাহায্য করে। প্রাজ্ঞ আলেম ও নির্ভরযোগ্য ইসলামিক পেজগুলো ফলো করুন এবং আপনার শিখা জ্ঞান অন্যদের সঙ্গে শেয়ার করুন, যাতে সেটি আপনার জন্য ‘সদকায়ে জারিয়া’ হিসেবে গণ্য হয়।
৩. নোটিফিকেশন কম করে বাস্তব জীবনের মনোযোগ বজায় রাখুন
স্মার্টফোনের প্রতি মুহূর্তের টুংটাং শব্দ মনোযোগের গভীরতা ব্যাহত করে। নামাজ, কোরআন পাঠ বা জিকিরের সময় ফোনটি ডু নট ডিস্টার্ব মোডে রাখুন। যদি কারো মেসেজ উত্তর দেওয়া হয় না, তবে পৃথিবীর ক্ষতি হবে না। কিন্তু এই সময়টি আল্লাহর স্মরণে নিখুঁতভাবে কাটালে তা পরকালের পাল্লাকে ভারী করবে।
৪. সময় সংগ্রহ করুন
মহান আল্লাহ কোরআনে সময়ের কসম খেয়ে বলেছেন,
নিশ্চয়ই মানুষ চরম ক্�
