ইরানি অভিবাসীদের মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্রে পাঠানোর পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র
পরিকল্পনার তথ্য ও বিবরণ
ইর ন অভ ব স দ র – ট্রাম্প প্রশাসন কয়েকজন ইরানি সহ আরও কিছু অভিবাসীকে মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্রে পাঠানোর পরিকল্পনা করছে। বর্তমানে এই দেশে সহিংসতা এবং দারিদ্র্যের কারণে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অস্থিরতা চলছে। এ বিষয়ে তথ্য দিয়েছেন রায়টার্স বার্তা সংস্থার কর্মকর্তা, যাঁদের ইরানে ফেরত গেলে তাঁদের নিপীড়ন বা নির্যাতনের ঝুঁকি রয়েছে।
ট্রোসল বলেন, ইরানে ফেরত গেলে তাঁদের নিপীড়ন বা নির্যাতনের ঝুঁকি ৫০ শতাংশের বেশি হতে পারে। তাঁদের আইনি সুরক্ষা পাওয়ার অর্থ হলো আদালত তাঁদের নিরাপত্তির আবেদন প্রতিষ্ঠা করেছে।
প্রথম ফ্লাইট ও সহায়তা প্রক্রিয়া
আইনজীবীদের মতে, প্রথম ফ্লাইটে প্রায় ২০ জন অভিবাসী পাঠানোর পরিকল্পনা ছিল। তাঁদের মধ্যে সিরিয়া ও আফগানিস্তানের নাগরিক রয়েছেন। তৃতীয় দেশে নির্বাসন চুক্তি করেছে যুক্তরাষ্ট্র এবং এ বিষয়ে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যে নির্বাসিত ব্যক্তিদের মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্রে অবিলম্বে ফেরত পাঠানো হবে না।
মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্রে কার্যক্রম পরিচালনার জন্য এ বছর আইওএমকে ৮ কোটি ৫০ লাখ ডলার বরাদ্দ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এ বিষয়ে অবগত এক মার্কিন কর্মকর্তা জানান, নির্বাসিত ব্যক্তিদের বাঙ্গুইয়ে পাঠানো হবে এবং তাঁদের মধ্যে আইনজীবী নিজের নাম প্রকাশ করতে রাজি হননি।
আন্তর্জাতিক বিবেচনা এবং বিতর্ক
যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি দপ্তর ঘোষণা করেছে যে নির্বাসন প্রক্রিয়ায় যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে। অন্যদিকে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা বলছেন, চুক্তির বিস্তারিত দিক অস্পষ্ট এবং নির্বাসিত ব্যক্তিদের শেষ পর্যন্ত নিজ দেশে ফেরত যেতে হতে পারে।
আইওএম এক মুখপাত্র বলেন, মধ্য আফ্রিকান সরকারের অনুরোধে বাঙ্গুইয়ে পাঠানো অভিবাসীদের সেখানে পৌঁছানোর পর মানবিক সহায়তা দেবে সংস্থা। তবে নির্বাসন প্রক্রিয়ায় আইওএম জড়িত নয় এবং স্বেচ্ছাভিত্তিতে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড মেনে সেই সহায়তা সম্পন্�
