ট্রাম্পের নতুন হুমকি ঘিরে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া আসেনি
ইর ন আজ র ত আরও কঠ – যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে আজ রাতে আরও শক্তিশালী হামলা চালানোর হুমকি দিয়েছেন। এ সময় ইরানের নৌ ও বিমান প্রতিরক্ষাব্যবস্থার প্রায় সম্পূর্ণ ক্ষমতা ধ্বংস হয়ে গেছে বলে তিনি অভিহিত করেছেন। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সাময়িক যুদ্ধবিরতি চলছে বলে খবর পাওয়া গেছে, কিন্তু এই হুমকিতে সেটি বৈধতা হারাচ্ছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল একযোগে ইরানে আঘাত চালিয়েছে। ২ মার্চ থেকে লেবাননে ইসরায়েল আগ্রাসন শুরু করে। এ সময়ে দুই দেশের হামলায় ৭ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। হামলার কারণে জ্বালানি বাজারে দাম বেড়েছে। ইরান ও লেবাননে লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।
ট্রাম্প আজ বৃহস্পতিবার নিজের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে লেখেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ইরানে আজ রাতে আরও কঠোর হামলা চালাবে। ইরানি নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী ও অন্যান্য সক্ষমতা ধ্বংস হয়েছে।’ তিনি যুদ্ধবিরতি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন যে খারগ দ্বীপ ও অন্যান্য তেল অবকাঠামো কেন্দ্রগুলো দখল করা যাবে। তার পরিবর্তে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি দাম বেড়েছে।
‘যদি আমাদের বোমা দিয়ে আলোচনা করতে হয়, তবে আমরা বোমা দিয়েই আলোচনা করব। এ কাজে আমরা বেশ পটু।’
৮ এপ্রিল পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ওয়াশিংটন-তেহরান সাময়িক যুদ্ধবিরতি সম্পর্কে আলোচনা শেষ হয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে ইরানের প্রতিক্রিয়া জানা যায়নি। পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে দুই দেশের শীর্ষ কর্মকর্তারা প্রায় ২১ ঘণ্টার আলোচনা করেছেন, যার পরিণতি নিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানানো হয়েছে যে দুই পক্ষের পরোক্ষ আলোচনা এখনো চলছে। তবে কয়েক দেশের ব্যাংকে জব্দ করা ইরানি টাকার মুক্তি বা তেল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সম্পর্কে পরিস্থিতি নিয়ে কোনো সমঝোতা হয়নি।
ইরানি সূত্র অনুযায়ী, সামরিক দৃষ্টিকোণ থেকে এই যুদ্ধ কানাগলিতে আটকে গেছে। যুক্তরাষ্ট্র তাদের লক্ষ্য অর্জন করতে পারেনি, কিন্তু আলোচনার পরিস্থিতিতে অগ্রগতি ঘটেছে। ট্রাম্প বারবার বলে আসছেন যে চুক্তির সবকিছু প্রায় শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে।
