হেগসেথের বরখাস্ত সম্পর্কে পেন্টাগনে আতঙ্ক, কর্মকর্তাদের অস্বস্তির কারণ কী?
হ গস থক ন য় ক ন – এপ্রিলের প্রথম দিন মার্কিন সেনাপ্রধান জেনারেল র্যান্ডি জর্জ পিট হেগসেথের সঙ্গে সরাসরি আলোচনার জন্য বৈঠকের অনুরোধ করেন। তাঁদের মধ্যে যে বিবাদ চলছিল তার কারণ কেবল গোপনীয়তা বা প্রতিরক্ষা বিভাগের কর্মপদ্ধতি নয়, বরং পদোন্নতি আটকে দেওয়া সম্পর্কে নিষ্পত্তি নিয়ে তীব্র বিতর্ক ছিল।
বিশেষজ্ঞ সূত্রগুলো বলেন, হেগসেথের প্রতি সামরিক কর্মকর্তাদের সন্দেহ জাগানো সম্পর্কে অনেক সময় সেনাবাহিনী ও জেনারেল জর্জের মধ্যে নিরন্তর বিবাদ চলছিল। কিছু ঘটনার পর থেকে তাঁদের সম্পর্ক এতটুকু প্রায় নেই যে কেবল তাঁদের মধ্যে চুপ থাকা কঠিন হয়েছিল।
সামরিক অভিযান ও গোপনীয়তার প্রভাব
সেনাবাহিনী সচিব ড্যান ড্রিসকল ব্যাপক বিতর্কের মাঝে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত হয়েছিল। তিনি শহরের বাইরে ছিলেন যখন এই সিদ্ধান্ত হতভম্ব করে দিয়েছিল। হেগসেথ যে প্রতিটি সিদ্ধান্তে সামরিক নেতৃত্বের প্রতি বিশেষ সতর্কতা দেখাচ্ছিলেন, তা ছিল তাঁর কর্মপদ্ধতির একটি বৈশিষ্ট্য।
প্রতিটি সিদ্ধান্ত নেওয়ার পেছনে মূল ভাবনাটি ছিল এই যে, বসের চাকরি থাকবে নাকি বরখাস্ত হবেন। কোনো সিদ্ধান্তে এই বিষয়টিকে এত বেশি গুরুত্ব দেওয়া সত্যিই নজিরবিহীন।
হেগসেথের মেয়াদে কর্মকর্তাদের বরখাস্ত করার প্রথম দিন থেকে তিনি সামরিক বাহিনীর অন্যান্য দপ্তরে এই সংস্কৃতি ছড়িয়ে পড়েছে। তাঁর নেতৃত্ব অরাজনৈতিক কাজের সাথে মিশেছে এবং তাঁদের মধ্যে অভ্যন্তরীণ কোন্দল তৈরি হয়েছিল। সামরিক নেতৃত্ব যখন কর্মকর্তাদের সরাসরি অস্বাক্ষরিত করছিল তখন সেনাবাহিনী কর্মকর্তাদের প্রতি দ্বন্দ্ব চলছিল।
জর্জ বাইডেন প্রশাসনের সময় লয়েড অস্টিনের সহকারী ছিলেন। কিন্তু তাঁকে নিয়ে পেন্টাগন ও সামরিক বাহিনীর মধ্যে ক্রমে ক্রমশ সংঘাত দেখা দেয়। এর আগে সামরিক অভিযান সম্পর্কে তথ্য প্রকাশ করতে হতো বেশির ভাগ কর্মকর্তারা এনডিএ স্বাক্ষর করে ছিলেন।
পেন্টাগনের মুখপাত্র শন পার্নেল বলেন, ‘সিএনএন যে বেনামী সূত্রের বরাত দিয়েছে, তারা মূলত রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তারা প্রতিরক্ষা বিভাগকে কালিমালিপ্ত করতে ও হেগসেথের নেতৃত্বকে দুর্বল করতে চায়।’
পার্নেল আরও বলেন, ‘যেকোনো সফল সংস্থায় নেতৃত্ব পরিবর্তন হয়। যাঁরা চলে গেছেন, তাঁদের সেবার জন্য আমরা ধন্যবাদ জানাই। প্রেসিডেন্ট, মন্ত্রী ও সামরিক কর্মকর্তাদের অগ্রাধিকারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে এই চূড়ান্ত পদক্ষেপগুলো নেওয়া হয়েছিল।’
হেগসেথ কর্মকর্তাদের প্রতি নিরন্তর সন্দেহ প্রকাশ করছিলেন। তাঁর মেয়াদে বেশির ভাগ জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের বরখাস্ত করা হয়েছিল। যেমন, চারজন কর্নেলকে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পদে পদোন্নতি আটকে দেওয়া �
