মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী কীভাবে বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ বৃদ্ধি করছে
ম য় নম র স মর ক – মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী এখন বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলির বিরুদ্ধে সাফল্য অর্জন করছে। মিয়ানমারে চলমান গৃহযুদ্ধের মাঝে সামরিক নিয়োগ আইন কার্যকর হওয়ার পর বাহিনী তাদের শক্তি দ্রুত বাড়িয়েছে। রাশিয়ার সঙ্গে করা নিরাপত্তা চুক্তিও তাদের কাজে লাগিয়েছে। বিদ্রোহীদের কম অর্থ এবং অস্ত্র প্রাপ্তি ঘটিয়েছে এবং তাদের প্রতিরক্ষা করতে হচ্ছে। বিবিসির কুয়েন্টিন সামারভিল এ বিষয়ে প্রতিবেদন করেছেন।
বিদ্রোহী বাহিনীর বিপর্যয় ঘটছে
বিবিসির সঙ্গে কথা বলা চারজন পুরুষ প্রতিবেদনে অংশ নিয়েছেন। তাঁদের বয়স ১৯ থেকে ২৫ বছরের মধ্যে। একজন বলেন, “সামরিক বাহিনী আমাদের কাজে বাধা দিয়েছে এবং আমরা করতে চাইতাম না যা তারা করেছে। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত আমরা সত্যিকারের বিশ্রাম পাইনি।”
“তারা আমাদের দিয়ে যেসব কাজ করেছে, সেগুলো আমরা করতে চাইতাম না। এখন আমাদের ক্ষমতা বিভাগে আটকে থাকছে।”
বিদ্রোহী বাহিনী জান্তা বাহিনীতে নিয়োগ পাওয়ার পর পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিল। তবে তারা পিপলস ডিফেন্স ফোর্সের (পিডিএফ) টহল দলের সামনে পড়ে আটক হয়েছে। আপাতত তাঁদের পিডিএফের সাথে অবস্থান করতে হবে, পরে থাইল্যান্ড সীমান্তে নিয়ে যাওয়া হবে। তাঁদের আশঙ্কা হচ্ছে, নিজ এলাকায় ফিরে গেলে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী আবারও তাদের খুঁজে বের করতে পারবে।
বিশ্বস্ত সংবাদ সংগ্রহের জন্য বিদ্রোহী দলের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে
বিবিসির প্রতিনিধিরা সামরিক কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই মিয়ানমারে ভ্রমণ করেছেন। বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত এলাকায় সংবাদ সংগ্রহের জন্য সেখানে প্রায় ১০ দিন অবস্থান করেছেন। বাগো ও কারেন রাজ্যের যুদ্ধক্ষেত্র ও অস্থায়ী হাসপাতাল থেকে বিদ্রোহী যোদ্ধাদের সঙ্গে কথা বলেছেন।
পিডিএফ ব্যাটালিয়নের কমান্ডার কো কাউং বলেন, মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী গত দুই বছরের বেশি সময় ধরে বিদ্রোহীদের জাতিগত নিয়ন্ত্রণ দখলের জন্য প্রতিরোধ বৃদ্ধি করছে। গৃহযুদ্ধের মাঝে তাদের অস্ত্র এবং প্রতিরক্ষামূলক অবস্থানে আটকে থাকছে।
মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলির প্রতিরোধে প্রতিটি বিজয় বিদ্রোহীদের অগ্রযাত্রা বাধা দিয়েছে। তাদের পূর্বে আক্রমণাত্মক অবস্থানে রয়েছে এখন প্রতিরক্ষামূলক অবস্থানে আটকে থাকছে। এ বিষয়ে বিবিসি প্রতিবেদন করেছে।
মিয়ানমারে সামরিক বাহিনী এখন তাদের ক্ষমতা দখল করে এগিয়েছে। গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করে ক্ষমতা দখল করার পর গৃহযুদ্ধ চলছে। বিদ্রোহীদের অস্ত্র ও অর্থের অভাবে তাদের অগ্রগতি ব্যাহত হচ্ছে।
মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী জনগণের বিরুদ্ধে সামরিক প্রতিরোধ বৃদ্ধি করছে। তাদের পূর্বে বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলি অনেক অংশে প্রতিরক্ষামূলক অবস্থানে আটকে থাকছে। এ বিষয়ে বিবিসি প্রতিবেদন করেছে এবং এটি সামরিক বাহিনীর জোরপূর্বক অভিযানের সম্পর্কে খুব তথ্য প্রদান করেছে।
