চট্টগ্রামে আমানত ফিরে পেতে পাঁচ ব্যাংকের আমানতকারীদের ‘রোডমার্চ’
অর্থ সঞ্চয়ের সমস্যায় জড়িত আমানতকারীদের গুরুত্বপূর্ণ দাবি
চট টগ র ম আম নত ফ – চট্টগ্রামে আমানত ফিরে পেতে পাঁচটি ব্যাংকের আমানতকারীদের মাঝে একটি উল্লেখযোগ্য সামাজিক আন্দোলন সংঘটিত হয়েছে। বুধবার দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনের পর রোডমার্চ কর্মসূচি শুরু হয়, যেখানে আমানতকারীরা দীর্ঘ দুই বছরে আমানত ফিরে পেতে চেয়েছেন। এই আন্দোলনের পিছনে দাঁড়িয়েছেন বিভিন্ন ক্ষেত্রের মানুষ, যারা বৃদ্ধি পাওয়া আমানত ফিরে পেতে দাবি জানাচ্ছেন। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত আমানতকারীদের সাধারণ সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর হোসেনের হাতে লিখিত বক্তব্য পাঠানো হয়।
তিনি বলেন, “আমাদের জীবন চরম মানবিক সংকটে পড়েছে। পেনশন টাকা, জীবনের সঞ্চয় এবং শিক্ষার ব্যয় এখন আমাদের দুর্দান্ত সমস্যা। ব্যাংকে জমা দিয়েছি যাতে আমানত ফিরে পেতে পারি। কিন্তু দুই বছর ধরে এটা সম্ভব হয়নি। আমাদের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, চাকরিজীবী এবং প্রবাসীদের মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে।”
আমানতকারীদের চারটি গুরুত্বপূর্ণ দাবির মধ্যে রয়েছে হেয়ার কাট নীতি বাতিল করে আমানতের পূর্ণ অর্থ ফেরতের ব্যবস্থা করা, আমানতের পরিশোধ সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোর কাছে চুক্তি অনুযায়ী বিস্তারিত করা, এফডিআর ও ডিপিএস সহ পরিবারের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার জন্য বিনা শর্তে আমানত ফিরে পেতে চাওয়া। আমানতকারীরা দাবি করেছেন ব্যাংকগুলো আমানত নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে বিবেচিত হওয়া সত্ত্বেও অর্থ ফিরে পেতে সময় না দেওয়ায় চরম অসন্তুষ্টি জন্মাচ্ছে।
আমানতকারীদের ভূমিকা ও প্রতিক্রিয়া
আমানতকারীদের অধিকাংশ জন নিজেদের নিরাপত্তার জন্য সঞ্চয় করেছেন। সংবাদ সম্মেলনে যোগদান করেছেন সহসভাপতি শারমিন আক্তার, যিনি বলেন, “আমাদের আমানত তুলে আনতে ব্যাংকগুলো প্রতিক্রিয়া দেওয়া হয়নি। আমাদের মাঝে কেউ চাকরিজীবী, কেউ প্রবাসী এবং কেউ ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। এসব ব্যক্তির জীবনে আমানত ফিরে পেতে চেয়া অপরিহার্য। আমাদের সাধারণ আমানতকারীদের জন্য সরকারের গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম প্রয়োজন।”
আবুল কালাম আজাদ বলেন, “আমাদের ক্ষেত্রে আমানত ফিরে পেতে দাবি জানাচ্ছি। সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলো আমাদের মাঝে মানবি�
