বিশ্বকাপের শীর্ষ ১০ গানের একটি তালিকা
ওয় ক ওয় ক থ ক ক – ইএসপিএন সংস্থা ফিফা বিশ্বকাপের শীর্ষ ১০ গানের একটি তালিকা প্রকাশ করেছে। ফিফা বিশ্বকাপ কর্তৃপক্ষ প্রতি বছর আসরের আনুষ্ঠানিক গান প্রকাশ করে। নিয়মিত ভাবে ফুটবলের সাথে সংগীত জড়িত হয়ে আছে। তালিকার শেষে আসা গানটি ছিল সবচেয়ে কম জনপ্রিয়।
১০. লিভ ইট আপ
নিকি জ্যাম, উইল স্মিথ ও এরা ইস্ত্রেফি গানটি প্রকাশ করেন। ২০১৮ সালের রাশিয়া বিশ্বকাপে গানটি ব্যবহার করা হয়। আরবি ভাষায় গানের শিরোনাম অর্থ হলো ‘চলো, চলো!’। এটি বিশ্বকাপ সংগীতের সাথে সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করেছিল না। ফলে গানটি খুব হালকা এবং সাধারণ কথা বলে।
৯. হাইইয়া হাইইয়া (বেটার টুগেদার)
ত্রিনিদাদ কার্ডোনা, ডাভিদো ও আইশা গানটি গেয়েছেন। ২০২২ সালে কাতারে বিশ্বকাপ বসে। গানের কথা এবং বিশ্বকাপের সম্পর্ক খুব কম। ইতালীয় ও ইংরেজি ভাষায় লেখা হয়েছিল গানটি। গানটিতে উদ্দীপনাময় সুর ও আবেগঘন কণ্ঠ ছিল। ইতালীয় সংস্করণটি দেশটির চার্টে এক নম্বরে উঠেছিল।
৮. আনয়েস্তাতে ইতালিয়ানো (টু বি নাম্বার ওয়ান)
এদোয়ার্দো বেনেট্টো ও জিয়ান্না ন্যান্নিনি গানটি গেয়েছেন। ১৯৯০ সালের বিশ্বকাপে গানটি ছিল অফিশিয়াল গান। ইতালীয় ভাষায় লেখা হয়েছিল গানটি। গানটি ইতালীয় ও ইংরেজি ভাষায় তৈরি করা হয়েছিল। গানের চেয়ে বেশি আলোচিত হয়েছিল এর মিউজিক ভিডিও।
৭. দ্য টাইম অব আওয়ার লাইভস
ডিভো ও টনি ব্র্যাক্সটন গানটি গেয়েছেন। ২০০৬ সালে বিশ্বকাপের আসর ছিল ফিফা অফিশিয়াল অ্যালবামে। গানটি ছিল ধীরগতির ও আবেগঘন একটি ব্যালাড। বিশ্বকাপের মূল সংগীতের অনেক চার্ট সাফল্য রয়েছে।
৬. বুম
আনাস্তাসিয়া গানটি গেয়েছেন। ২০০২ সালে দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানে বিশ্বকাপের অফিশিয়াল গান ছিল। সাফল্য, পরিশ্রম ও স্বপ্ন পূরণের মতো সাধারণ কথা বলা হয়েছে। মিউজিক ভিডিও ছিল গানটির সবচেয়ে বেশি পরিচিত।
৫. ডাই ডাই
শাকিরা ও বার্না বয় গানটি গেয়েছেন। ২০২৬ সালে মেক্সিকো, কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্বকাপ আসর বসবে। গানটি গত ১৫ মে প্রকাশিত হয়েছে। কিছুটা একঘেয়ে গানটি বলা হয়েছে, তবে উচ্ছ্বাসের আবহ রয়েছে।
৪. উই আর ওয়ান (ওলে ওলা)
পিটবুল ও জেনিফার লোপেজ গানটি গেয়েছেন। ২০১৪ সালে ব্রাজিলে বিশ্বকাপের আসর বসে। ব্রাজিলের ছন্দময় ফুটবলের ছাপ পড়েছিল সেবারের গানে। নয়টি গান এক বিশ্বকাপে প্রকাশ করা হয়েছিল।
