সীমান্তে বিস্তারিত নীতির কারণে মানবিক সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে
স ম ন ত প শ ইন – বাংলাদেশের সীমান্ত অঞ্চলে বৃদ্ধি পাচ্ছে মানবিক সংকট তৈরি করে দিচ্ছে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ। এখনও কোনো যুক্তিসংগত কারণ নেই এই ঘটনার। বেশ কয়েক হাজার মানুষ সীমান্তে আসছেন, কিন্তু বাংলাদেশ তাঁদের গ্রহণ করছে না। ভারতে ফেরত যেতে পারছেন না তাঁরা। গেলেও ডিটেনশন সেন্টার বা বিভিন্ন হোল্ডিং সেন্টারে ধরে রাখা হচ্ছে তাঁদের।
এই কূটনৈতিক কাঠামোর বাইরে কাজ করছে পশ্চিমবঙ্গের প্রশাসন। দিল্লি ও পশ্চিমবঙ্গের মধ্যে পারস্পরিক প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গের দিক থেকে বলা হচ্ছে, লোকগুলোকে চিহ্নিত করে বাতিল করে তাদের বাংলাদেশে পাঠানো হবে। দ্বিতীয়ত, বাংলাদেশের সীমান্ত সুরক্ষার দায়িত্ব বর্তমান সরকারের। পশ্চিমবঙ্গের সরকার এই সংকটটি আরম্ভ করেছে।
এটা বাংলাদেশের দায়িত্ব এখন যেভাবে সীমান্ত এলাকার মানুষ বৃদ্ধি পেয়েছে ভারতের দিক থেকে কোনো সমস্যা থাকলে কূটনৈতিক কাঠামোর মাধ্যমে তারা সেটা করতে পারে। বাংলাদেশ সরকার তখন দ্রুত যাচাই করে জবাব দিতে হবে।
বাংলাদেশের মানুষ সীমান্ত এলাকায় উপস্থিত হওয়ার সাথে সাথে তারা অনুরোধ করছেন, কূটনৈতিক কাঠামোর মাধ্যমে এ বিষয়টি সমাধানের জন্য উভয় পক্ষ তৎপর হওয়া উচিত। বর্তমান কর্মকান্ডে দুই দেশের সম্পর্কে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে।
বিশেষজ্ঞ আহ্বান করেছেন কূটনৈতিক ব্যবস্থার প্রতি দৃষ্টি দেওয়া
এম হুমায়ুন কবীর বলেন, ভারত ও বাংলাদেশ যেহেতু প্রতিবেশী, এবং দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক ব্যবস্থার সুবিধা আছে, সেটারই সদ্ব্যবহার করা উচিত। কূটনৈতিক প্রতিক্রিয়া ছাড়া অন্য কোনো উদ্যোগ নেওয়া হলে সেটি দুই দেশের সম্পর্কে উত্তেজনা বৃদ্ধি করতে পারে।
