Uncategorized

খাগড়াছড়ির আম্রপালি বাজারে, চাষিরা কেন হতাশ

খাগড়াছড়ির আম্রপালি বাজারে চাষিরা হতাশ খ গড় ছড় র আম রপ ল - খাগড়াছড়িতে গত মৌসুমে আম্রপালি আমের ফলন ভালো হয়েছে। তবে চাষিরা বিক্রি করে বেশি লাভ হবে বলে আশা

Desk Uncategorized
Published June 7, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

খাগড়াছড়ির আম্রপালি বাজারে চাষিরা হতাশ

খ গড় ছড় র আম রপ ল – খাগড়াছড়িতে গত মৌসুমে আম্রপালি আমের ফলন ভালো হয়েছে। তবে চাষিরা বিক্রি করে বেশি লাভ হবে বলে আশা করেছিলেন। কিন্তু আবহাওয়া এবং পাহাড়ের মাটির গুণগত বৈশিষ্ট্যের কারণে আম উৎপাদন কমে না যায়, তার সত্ত্বেও বাজারে কাঙ্ক্ষিত দাম মিলছে না।

গত বছর আম পাইকারিতে ৭০ টাকায় বিক্রি হয়েছিল, এবার তার অর্ধেক দামে কিনতে চাইছে বাইরের পাইকারিতে। সার, কীটনাশক, শ্রমিক আর পরিচর্যার খরচ বেড়েছে, কিন্তু বাজারদর কমে গেছে। সদর উপজেলার পেরাছড়া এলাকার চাষি রতনময় চাকমা বলেন, ‘আম ঘরে বসে পাইকারিতে ৭০ টাকায় বিক্রি করতে পারছিলাম, এবার সেই আম ৫০ টাকায়ও বিক্রি করতে পারছি না। পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধির কারণে আম চাষিরা আরও কষ্টে পড়েছে।’

খাগড়াছড়ি জেলা থেকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আম পরিবহনের সময় খরচ বেড়েছে। পৌরসভা ক্রেটপ্রতি ২০-২২ কেজি হারে টোল আদায় করছে। ফলে দুই হাজার কেজি আমবাহী একটি পিকআপ ভ্যানের টোল দিতে হয় ৯০০ থেকে ১ হাজার টাকা। এরপর জেলা পরিষদের নিয়ন্ত্রণাধীন ‘বাজার ফান্ড’ চেঙ্গী সেতু এলাকায় আবারও ক্রেটপ্রতি ১০ টাকা করে আদায় করে। আর গাড়িপ্রতি ৫০০-৭০০ টাকা খরচ হয় রামগড়ের সোনাইপুল ও মানিকছড়ির গাড়িটানা এলাকায়। এছাড়া বিভিন্ন আঞ্চলিক সংগঠনও চাষি ও ব্যবসায়ীদের থেকে অর্থ আদায় করছে।

খাগড়াছড়ি থেকে ঢাকা, চট্টগ্রাম, ফেনী বা দেশের বড় বাজারগুলোতে আম পরিবহনের খরচ বেড়েছে। চাষিরা জানান, বাইরের পাইকারদের আগ্রহ তুলনামূলক কম থাকায় দাম কমে গেছে। স্থানীয় ফল ব্যবসায়ী মো. মেহেদি হাসান, রবিউল ইসলাম ও আইয়ুব আলী বলেন, বাজারজাতকরণ ব্যবস্থার সমস্যা কমাতে ক্রেতার সরাসরি সংযোগ বৃদ্ধি করা প্রয়োজন।

খাগড়াছড়ি জেলার আমের উৎপাদন সন্তোষজনক হয়েছে। প্রতিবছর ঢাকা, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, নোয়াখালীসহ বিভিন্ন জেলা থেকে পাইকাররা সরাসরি বাগানে আম কিনে নিয়ে যেতে নিরুৎসাহিত হয়েছে। চাষিরা বলেন, পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি ও বাইরের পাইকারদের কম আসার কারণে লাভের আশা থাকে না।

খাগড়াছড়ি জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জেলায় ৪ হাজার ৫৯০ হেক্টর জমিতে আম চাষ হয়েছে। গত বছর উৎপাদন হয়েছিল ৬২ হাজার ১৭৯ মেট্রিক টন আম। ধারণা করা হচ্ছে এবার উৎপাদন ৮০ হাজার মেট্রিক টন ছাড়িয়ে যাবে।

খাগড়াছড়ি জেলার আম্রপালি আমের সুনাম সারা দেশে রয়েছে। চল

Leave a Comment