Uncategorized

ওল্ড হোম ও ডে-কেয়ার, প্রয়োজনীয়তা নাকি সামাজিক ব্যর্থতা

ওল্ড হোম ও ডে-কেয়ার, প্রয়োজনীয়তা নাকি সামাজিক ব্যর্থতা ওল ড হ ম ও ড ক - অস্তিত্ববাদী কাম্যু আধুনিক সমাজে মানুষে-মানুষে বিচ্ছিন্নতা নিয়ে যে প্রক্রিয়া

Desk Uncategorized
Published June 7, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

ওল্ড হোম ও ডে-কেয়ার, প্রয়োজনীয়তা নাকি সামাজিক ব্যর্থতা

ওল ড হ ম ও ড ক – অস্তিত্ববাদী কাম্যু আধুনিক সমাজে মানুষে-মানুষে বিচ্ছিন্নতা নিয়ে যে প্রক্রিয়া সবচেয়ে শক্তিশালী সংকেত হিসেবে গণ্য করেছেন, তা ধ্রুপদি। এই মন্তব্যটি পৃথিবীর ইতিহাসে যেকোনো উপন্যাসের সবচেয়ে জোরালো শুরু হিসেবে বিবেচিত হয়।

সম্প্রতি এক ঘটনায় বাংলাদেশে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মানুষদের ধরে ফেলা হয়েছিল। এক বয়োবৃদ্ধ মা এক অবিশ্বাস্য ঘরে মারা যান। তাঁর লাশ প্রায় প্রকৃত সময়ে উদ্ধার হয়। ঘটনার পর তাঁর প্রতিষ্ঠিত সন্তানদের প্রতি ভীষণ ক্রুদ্ধ জাগে। প্রভাবে তাঁর এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ছাড়া হয়ে যান।

‘মা আজ মারা গেলেন, কিংবা হয়তো গতকাল, আমি ঠিক জানি না’

এ ঘটনার সামাজিক তাৎপর্য প্রকাশ করে দেখা যায় যে আধুনিক সমাজে বিচ্ছিন্নতা আর নতুন সংগঠনের মধ্যে যে গোঁটো সৃষ্টি হয়েছে তা গুরুত্বপূর্ণ। সমাজের স্থাপিত কাঠামোর প্রতি ধারণার ধ্বংস না হলেও কেউ কেউ তার বিপর্যয়ে দুর্গত হয়ে ওঠেন।

আধুনিক সমাজের টানাপোড়েনের প্রেক্ষাপটে শিশুদের বড় করার দায়িত্ব পুরো সমাজের উপর ছিল। কিন্তু বর্তমানে এই দায়িত্ব নিয়ে যে গোঁটো আছে তা বিভিন্ন মত করে দাঁড়িয়ে। পরিবার বিভাজনের আগে বাংলাদেশে যৌথ পরিবার ছিল সামাজিক বিমা ব্যবস্থার একটি সুষ্ঠু প্রতিষ্ঠান।

ব্রিটিশ আমলে পুঁজিবাদী অর্থনীতির আগমনে পরিবার কাঠামো স্বল্প সময়ে অনেক বিকৃত হয়। ১৭৯৩ সালের চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত এবং ১৯৪৭-এর দেশভাগের প্রভাবে সামাজিক ব্যবস্থা বিভাজিত হয়। তবে মানসিকতায় যৌথ পরিবারের আদর্শ অক্ষুণ্ন থাকে। নতুন ব্যবস্থা ছাড়া পুরোনো কাঠামো বর্তমান সমাজের মূল্যবোধ গুণগত ভাবে স্বল্প হয়ে আসে।

ইউরোপের আধুনিক সমাজবিজ্ঞানী এমিল ডুর্খেইম এ বিষয়টি আলোচনা করেন। তিনি দেখান যে সমাজে দুই প্রকার সংহতি অবস্থান করে—একটি যান্ত্রিক সংহতি ও আরেকটি জৈব সংহতি। প্রথমটি সাধারণ মূল্যবোধের ব্যাপারে, দ্বিতীয়টি বিভিন্ন সামাজিক ভূমিকায় নির্ভর করে।

বাংলাদেশ এখন এই দুই সংহতির মধ্যে ভেসে দাঁড়িয়ে। বিশেষ করে পুরোনো জৈব সংহতির ভিত্তি প্রবীণ ব্যক্তিদ

Leave a Comment