নেপোটিজম বিতর্কের মধ্যে তিনি নিজেকে বোঝা হিসেবে দেখেন না
ভ ল ব স র ম ন – অভিষেকের পর থেকে নেপোটিজম বিতর্ক, সমালোচনা এবং প্রত্যাশার ভার তাঁর পরিচিত। কিন্তু তিনি কখনো এগুলোকে বোঝার জন্য বিষয়টি নেতিবাচকভাবে দেখেন না। বলিউডের এই জনপ্রিয় অভিনেত্রী সবসময় দর্শকের আশা তাঁকে আরও আগ্রহ ও উৎসাহ দেয় বলে মনে করেন। নিকটতম ছবি “চাঁদ মেরা দিল” তাঁর কাছে বিশেষ অভিজ্ঞতা হিসেবে স্থান পেয়েছে। তিনি জানান, ছবিটি আবেগময় সম্পর্কের গল্প যা তাঁকে নতুন সুযোগের সামনে আসতে দেয়।
আত্মসন্দেহ তাঁর প্রচেষ্টার তাগিদ হিসেবে বিবেচনা করেন
সাফল্যের পরিভাষা সময়ের সাথে পরিবর্তিত হয়েছে অনন্যার কাছে। ছাত্রী হিসেবে অভিনয় করার সময় তিনি অনিশ্চয়তা পেয়েছিলেন, কিন্তু পরিচালকের বিশ্বাস তাঁকে আত্মবিশ্বাসী করেছিল। ক্যারিয়ারে অনিশ্চয়তা ও আত্মসন্দেহ অনেকবার আসে, কিন্তু তাঁর মতে এগুলো শিল্পীকে আরও উন্নতি করার কারণ হিসেবে দেখা যায়।
প্রতিটি শুটিং বা প্রচারণার আগে আমি নার্ভাস লাগে। কিন্তু সেটি আমাকে নতুন চালে প্রস্তুত করে বলে মনে করি। আমি চাই ছবি শেষ হওয়ার পরও চরিত্রগুলোকে মনে রাখুক।
গৃহপালন এবং সৌন্দর্য সংক্রান্ত মতামত
অনন্যা মনে করেন শরীরচর্চা তাঁর দৈনিক সুস্থতার উপায় হিসেবে কাজ করে। সৌন্দর্য তাঁর চেহারার মাধ্যমে কেবল শারীরিক সুস্থতার জন্য নয়, বরং মানসিক সামঞ্জস্য বজায় রাখার জন্য। তিনি জানান, সব তরুণীদের জীবনে নিজের চেহারার সম্পর্কে অনিশ্চয়তা থাকে। কিন্তু তিনি সেটি সহজে গৃহীত করেন।
প্রেম ও বন্ধুত্বের গুরুত্ব
অনন্যার মতে প্রেম ও বন্ধুত্বের সম্পর্ক সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, পেয়ার দোস্তি হ্যায় অর্থাৎ ভালোবাসার মানুষের সঙ্গে বন্ধুত্ব থাকাটা তাঁর জীবনে বড় একটি সংকট হিসেবে মনে হয়। যে কোনো সঙ্গী বা স্বামী আমাকে নিজের মতো দেখতে পারে তাকে চাই। অসম্মান ও মিথ্যা বলার কারণে আমি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা হিসেবে দেখেছি অনেক সময় আগে।
প্রথম ছবি থেকে বৃদ্ধি পেয়েছেন অনন্যা
নিজের প্রথম ছবি “স্টুডেন্ট অব দ্য ইয়ার ২”-এর স্মৃতি অনন্যার মনে আছে। তখন তিনি ছাত্রী হিসেবে অভিনয় করেছিলেন। ছাত্রী চরিত্র নিয়ে অভিনয়ের পর অনেক কিছু শিখেছিলেন। পরিচালক পুনীত মালহোত্রা ও সহ-অভিনেতা
