হজ ২০২৬: আত্মার পবিত্রতা প্রতিষ্ঠা করা যাত্রা, সিনস পর্ব-২
হজ ২০২৬ – হজ একটি নির্দিষ্ট ইবাদত, যা সবার জন্য ফরজ করা হয়নি। এটি শরীর ও আর্থিক সম্পদে দৃঢ় থাকা মানুষের জন্য বাধ্যতামূলক। যখন মনে হয় যে সক্ষমতা পুনরায় আসবে না, তখন প্রতিকূল পরিস্থিতি হয়ে যায়। বৃদ্ধ বয়সে যাওয়ার কথা ভেবে ভাবে হয়, কিন্তু সেই সময় অনেক দেরি হয়। শরীর আর সে ক্ষমতা হারিয়ে যায়।
বাংলাদেশের হজের খরচ অন্যান্য দেশের তুলনায় অসামান্য। বিমানভাড়া এবং অতিরিক্ত ব্যয়ের কারণে যাত্রীদের সংখ্যা কম। যারা যাওয়ার সুযোগ পেয়েছে তারা অনেক ক্ষীণ শরীরে আসে। তাদের কাছে স্থান ও সময়ের আবার অভিযোগ থাকে। হজ প্রতিষ্ঠানের কারণে সে বিষয়গুলো একটি আনুষ্ঠানিক মনোনয়ন হয়ে যায়।
আত্মার পবিত্রতা প্রতিষ্ঠা করা যাত্রা: মক্কা পর্ব-২
হজ এজেন্সির প্রতিক্রিয়া সবার জন্য প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে উঠেছে। কিছু এজেন্সি বিশেষ কোনো দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিনিধিত্ব করে। সাধারণত রেজিস্ট্রেশনের সময় সেবা সম্পর্কে স্পষ্টতা নেই। ফলে কেউ অপরিচিত স্থানে বাস করতে হয়। আর কেউ খাবারের পরিমাণ ও মান নিয়ে সমস্যা সৃষ্টি হয়। বিশেষ করে এজেন্সি দ্বারা দম ও কোরবানি কোর্ট প্যাকেজের টাকা অগ্রিম নেয়। যে কারণে আমরা যাত্রীদের সামনে অশান্তি ছড়ায়।
অনেক হাজি মুসলমান আগের দিনে আবার কি আসতে পারব? এটা মনে হয় যেন কাবার দেয়াল সামনে সবাই একটি ধারণা বিস্তার করছে নিজের বিষয়ে। কাবার দরজা ও আসওয়াদ সামনে সংঘাত ঘটে। তাদের পায়ে চাপ দেখে কেউ কেউ কান্না শুরু করে। আমার মনে হয় যেন কাল কিয়ামতের ময়দানে একই দৃশ্য পুনরায় দেখা যাবে।
আমাদের অভিজ্ঞতা তো অপরিচিত। নারীদের মধ্যে কে বলেছে যে এতে সমস্যা কোথায়? ইসলাম সম্পূর্ণ সাম্যের ধর্ম। কিন্তু মানুষের আর্থিক ও সামাজিক স্থিতি ভিন্ন ভিন্ন। যখন ভূমি একটি ছয় লাখের প্যাকেজ ও দশ লাখের প্যাকেজ নিয়ে একত্রে বাস করতে হয়, তখন দ্বন্দ্ব ঘটে। তারা একই তাঁবুতে ঘুমোয়, একই ওয়াশরুমে ধাক্কাধাক্কি করে। কিন্তু শিক্ষার অভিজ্ঞতা কেন তো সহনশীলতা প্রকাশ করতে হবে।
আমরা বিশাল কাফেলা মসজিদুল হারাম থেকে বাইরে বেরিয়ে গেলাম। জুমার নামাজ সেখানে সেরে আমরা মুজদালিফা এগিয়ে চলেছিলাম। সৌদি মেট্রোরেলে চড়ে মিনার ময়দানে আমাদের সমূহ পৌঁছেছিল। পেছনে বাদামি রঙের পাহাড়ের পটভ
