শতবর্ষ পালনের আহ্বান জানাল সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো
ক ণ ড র হ শ য় – বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের অপর একটি সুপরিচিত গান ‘কাণ্ডারী হুঁশিয়ার’ বর্তমানে দেশজুড়ে সাংস্কৃতিক আয়োজন ও কর্মসূচি পালনের আহ্বান জানিয়েছে বিভিন্ন সংগঠন। গানটি আয়োজন করার জন্য মূল উদ্দেশ্য হিসেবে বর্তমান সামাজিক অবস্থার ক্ষেত্রে বিদ্বেষ, সাম্প্রদায়িকতা এবং অসহিষ্ণুতার বিরুদ্ধে নজরুলের মানবতাবাদী মনোভাব ফিরে আসার প্রয়োজন বলে উল্লেখ করা হয়েছে। নানা সংস্থার যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে যে নজরুলের গানটি আধুনিক সমাজের সমস্যার প্রতি সমানভাবে সম্পর্কিত।
১৯২৬ সালে প্রাদেশিক সম্মিলনীতে সুর করেন কাজী নজরুল ইসলাম। এই সময় ক্ষুব্ধ ও বিচলিত কবি গানটি রচনা করেন। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত যৌথ বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে গানটি এখনো সহিংসতার বিরুদ্ধে সতর্ক করে তোলার বার্তা বহন করছে। নজরুলের এই গান প্রকাশিত হয় পরে সেপ্টেম্বরে পত্রিকা ‘কালি ও কলম’ এর মাধ্যমে। ক্ষুব্ধ কবি এ গানটি ঢাকায় মুসলিম সাহিত্য সমাজের বার্ষিক অধিবেশনে প্রথম পরিবেশন করেন।
যে নিজের ধর্মের সত্যকে চিনেছে, সে কখনও অন্য ধর্মকে ঘৃণা করতে পারে না।
বর্তমানে ধর্মীয় আদর্শ বিকৃত হয়েছে এবং হিংসা ও ঘৃণা ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে ‘কাণ্ডারী হুঁশিয়ার’ গানটি সমাজের সতর্ক হওয়ার বার্তা দেয়। কবি নজরুলের এই গান অন্য ধর্ম, বিশ্বাস এবং সংস্কৃতির প্রতি সহিংসতার বিরুদ্ধে সমান সম্পর্কিত।
যৌথ বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশ নজরুলসংগীত সংস্থা, জাতীয় রবীন্দ্রসংগীত সম্মিলন পরিষদ, বাংলাদেশ গণসংগীত সমন্বয় পরিষদ, জাতীয় রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী সংস্থা, বাংলাদেশ সঙ্গীত সংগঠন সমন্বয় পরিষদ, বাংলাদেশ আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদ, জাতীয় শিক্ষা ও সংস্কৃতি রক্ষা আন্দোলন, বাংলাদেশ উদীচী শিল্পী গোষ্ঠী, সমগীত, সুর সপ্তক, নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোট, আনন্দধারা (নারায়ণগঞ্জ), বসন্তবাহার সঙ্গীত একাডেমি (নারায়ণগঞ্জ) এবং কেন্দ্রীয় খেলাঘর
