দীপেন দেওয়ান শান্তি রক্ষার আহ্বান জানিয়েছেন, বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা বলেন
সব ইক শ ন ত থ ক – পার্বত্য চট্টগ্রামের সব পাহাড়ি, বাঙালি ও অন্যান্য সম্প্রদায়ের মানুষদের শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন সদ্য পদত্যাগ করা মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান। তিনি এক ফেসবুক পোস্টে জানান, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) তার শেষ ঠিকানা।
গত সোমবার দীপেন দেওয়ান পদত্যাগ করেন। পদত্যাগপত্রে তিনি জানান, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে তার শারীরিক অসুবিধা বৃদ্ধি পেয়েছিল। অসুস্থতার কারণে মন্ত্রণালয়ের কাজে বাধা হচ্ছিল। বর্তমান সরকারের উন্নয়ন ও প্রশাসন গতিশীলতা বৃদ্ধি করার জন্য তিনি পদ থেকে অব্যাহতি নিয়েছেন।
পদত্যাগের খবর পেয়ে রাঙামাটি জেলায় বিএনপি ও তাদের অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা সড়ক অবরোধ করেছিলেন। পরদিন সন্ধ্যায় তারা আবার বিক্ষোভ করেছিল। রাস্তায় টায়ার জ্বালানো হয়েছিল এবং সড়ক অবরোধ করা হয়েছিল।
আবেগ ও প্রতিক্রিয়া প্রতিফলিত হয়েছে
দীপেন দেওয়ান বলেছেন, ‘সাম্প্রতিক সময়ে মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে পার্বত্য চট্টগ্রামের তিনটি জেলা এবং অনেকের মধ্যে আবেগ, উদ্বেগ ও প্রতিক্রিয়া জন্মগ্রহণ করেছে। আমি তা গভীরভাবে জানি।’
তিনি আরও জানিয়েছেন, পার্বত্য অঞ্চলের সকল মানুষকে শান্তি, ধৈর্য এবং আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে। তিনি বলেছেন, ‘কোনো ধরনের উসকানি বা সংঘাতের পথে না গিয়ে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সৌহার্দ্য বজায় রাখুন।’
তিনি বলেছেন, ‘বিএনপি আমার রাজনৈতিক আদর্শের ঠিকানা। জীবনের অবশিষ্ট সময় পর্যন্ত আমি এই দলের আদর্শ এবং দেশের জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করব। ব্যক্তিগত বা রাজনৈতিক যেকোনো পরিস্থিতিতে আমার দলের প্রতি অঙ্গীকার অটুট থাকব।’
পরিবারের সম্পর্কে বিস্তারিত
দীপেন দেওয়ানের পিতা সুবিমল দেওয়ান প্রাক্তঃ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উপদেষ্টা ছিলেন। তাঁর আদর্শ ও দেশপ্রেম তার রাজনৈতিক জীবনের প্রেরণা হিসেবে কাজ করেছে।
তিনি লিখেছেন, ‘আমি গর্বের সঙ্গে স্মরণ করছি যে আমার পিতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার স্নেহ ও নেতৃত্বে আমি বিএনপিতে যোগদান করেছিলাম।’
২০০৫ সালে তিনি যুগ্ম জেলা জজের দায়িত্ব ছেড়ে বিএনপি সাইন করেন। ২০১০ সালে রাঙামাটি জেলার বিএনপি সভাপতি হন। তিনি সংসদে নির্বাচিত হয়ে প্রথম মন্ত্রী হন।
৬৩ বছর বয়সী দীপেন দেওয়ান ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পার্বত্য রাঙামাটি আসনে বিএনপির প্রার্থী হয়েছিলেন। তিনি সবচেয়ে বড় ভোটে জয় লাভ করেন।
তিনি আবারও ঘোষণা করেছেন, বিএনপি তার শেষ ঠিকানা। তিনি বলেছেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্ব
