মানব পাচারকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর হবে সরকার: স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
ম নব প চ রক র দ – স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী এক কর্মশালায় বলেন, মানব পাচার এবং অভিবাসী চোরাচালান বর্তমানে একটি জাতীয় সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, এজন্য প্রতিরোধ ও দমন আইন-২০১২ সংশোধন করা হয়েছে। আইনটি গত এপ্রিলে সংসদে পাস হয়।
অপরাধগুলোকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে
তিনি বলেন, অনলাইন প্রতারণা, স্ক্যামিং এবং মুক্তিপণ আদায়ের মতো অপরাধগুলো এ আইনের আওতায় আনা হয়েছে। এছাড়া মানব পাচার প্রতিরোধে কেবল কঠোর আইনই যথেষ্ট নয়, বরং জনসচেতনতা সৃষ্টিতে গণমাধ্যমের গুরুত্ব তুলে ধরেন। সরকার মানব পাচারকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে। এই আইনে ভুক্তভোগীদের সুরক্ষা ও অধিকারের বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
“মানব পাচার অপরাধের প্রকৃতি ও ব্যাপকতা বিবেচনায় তদন্ত সংস্থাকে আরও শক্তিশালী করা হয়েছে। ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ করা, সম্পত্তি জব্দ করা এবং আসামির অনুপস্থিতিতে বিচার করার মতো যুগান্তকারী বিধান এই আইনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।”
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব জিয়াউদ্দিন আহমেদ বলেন, ২০১২ সালের আইনটি সম্পর্কে মানুষ ততটা জানত না। নতুন আইনটি জনগণকে জানানো জরুরি, যাতে মানুষ সচেতন হয়। সরকার নতুন আইন বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর।
বিশেষ সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে দুটি অপরাধ
কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ারের কান্ট্রি ডিরেক্টর মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, নতুন আইনে মানব পাচার এবং অভিবাসী চোরাচালানকে পৃথক অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। এ মাধ্যমে অপরাধীদের আর্থিক জবাবদিহি এবং ভুক্তভোগীদের দ্রুত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা সম্ভব।
আশা করা হচ্ছে, নতুন আইনের সঠিক প্রয়োগ এবং ব্যাপক প্রচারের মাধ্যমে অবৈধ পথে বিদেশ গমনের প্রবণতা কমবে। মানব পাচারকারী চক্রের মূলোৎপাটন করা সম্ভব হবে।
