সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকা আরও দৃশ্যমান করতে হবে: প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা
সশস ত র ব হ ন র – বৃহস্পতিবার ঢাকা সেনানিবাসে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের পরিদর্শনের সময় প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম সশস্ত্র বাহিনীর দীর্ঘমাত্রিক ও মূল্যবান ভূমিকা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তিনি বলেন যে এই বাহিনী সার্বভৌমত্ব রক্ষার সাথে সাথে দুর্যোগ সময়ে জনগণের পাশে থাকার দায়িত্বও পালন করছে। সশস্ত্র বাহিনীর সামাজিক ও আর্থিক কাজের মাধ্যমে দেশের সম্পর্শ নিরাপত্তা এবং বিকাশের গুরুত্ব উল্লেখ করেন। তিনি পরিদর্শনের সময় আলোচনায় অংশ গ্রহণ করেন এবং সশস্ত্র বাহিনীর ভবিষ্যতের উন্নয়ন পরিকল্পনার কথা উঠে আসে।
বাহিনীর পেশাদারত্ব ও জনসংযোগের প্রয়োজনীয়তা
আইএসপিআর পরিদপ্তরের পরিচালক লে. কর্নেল সামি উদ দৌলা চৌধুরী বলেন যে প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা তাঁকে স্বাগত জানান এবং পরিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সাথে জনসংযোগের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেন। সশস্ত্র বাহিনী বর্তমান সময়ে আন্তর্জাতিক সংকটে দেশের সম্পর্শ নিরাপত্তা রক্ষা করছে এবং সেই সাথে আর্থিক ও প্রশাসনিক সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে জনগণের মর্যাদা বৃদ্ধি করছে। তিনি মন্তব্য করেন যে সশস্ত্র বাহিনীর সাথে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা দরকার এবং এই সম্পর্কের ভিত্তিতে সশস্ত্র বাহিনীর বৃদ্ধি ও উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করেন।
সশস্ত্র বাহিনী দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করে এবং দুর্যোগ বা সংকটে মানুষের পাশে থাকার দায়িত্বও পালন করছে।
প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা মন্তব্য করেন যে সশস্ত্র বাহিনীর সাথে সঠিক তথ্যের প্রয়োজন আছে। তিনি বলেন, সশস্ত্র বাহিনীর বিস্তারিত কাজের ধারণা জনগণের কাছে পৌঁছানো দরকার। এই বাহিনী এখন প্রাথমিক সংকট ও দুর্যোগে কর্মকর্তাদের সহায়তার সাথে সাথে জনগণের প্রতি আন্তরিক বিশ্বাস গড়ে তুলছে। বাহিনী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ক্ষেত্রে এখন কুশল ও পেশাদার কাজে পরিচিত।
আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও বাহিনীর অবদান
সশস্ত্র বাহিনীর আন্তর্জাতিক অবদান আলোচনার মধ্যে প্রধান পয়েন্ট হিসেবে উঠে আসে। প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা বলেন যে সশস্ত্র বাহিনী অন্তর্বর্তী সম্পর্কে এবং বাইরের সংকটে আন্তর্জাতিক সহায়তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। আইএসপিআর পরিদপ্তরের বর্তমান ক্ষমতা ও কর্মকর্তাদের কাজ সম্পর্কে আলোচনা করা হয়। সশস্ত্র বাহিনী আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান দেখাচ্ছে।
এই আলোচনায় সশস্ত্র বাহিনীর ভবিষ্যতের উন্নয়ন পরিকল্পনার প্রয়োজনীয়তা আলোচনা করা হয়। প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা বলেন যে সশস্ত্র বাহিনীকে সঠিক পরিচালনা ও সমন্বয়ে বিশ্ব ভূমিকায় দেশের মর্যাদা বৃদ্ধি করা সম্ভব। সশস্ত্র বাহিনীর কর্মসূচি ও কর্মপদ্ধতি সম্পর্কে আলোচনা চলছে এবং বিশ্বাস করা হচ্ছে যে সশস্ত্র বাহিনী সময়ের সাথে সাথে আরও প্রয়োজনীয় ভূমিকা পালন করতে পারবে।
সশস্ত্র বাহিনী নিজেদের ক
