জামিনে মুক্তি পেলেন সেলিনা হায়াৎ আইভী
জ ম ন ম ক ত প – জামিনে মুক্তি পেয়েছেন সেলিনা হায়াৎ আইভী, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র। তিনি গত বছরের ৯ মে ভোরে দেওভোগ এলাকার বাসা থেকে জামিনে মুক্তি পেলেন এবং গাজীপুরের কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে বুধবার রাতে তাঁকে মুক্তি দেওয়া হয়। জামিন আদেশ প্রয়োগের পর তাঁকে কারাগার ফটকে আইনজীবী এবং স্বজনের উপস্থিতির মধ্যে মুক্তি দেওয়া হয়। তিনি আগে থেকেই জামিন আদেশের কাগজ কারাগারে পৌঁছেছিলেন কিন্তু ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি না পাওয়ায় মুক্তির জন্য অপেক্ষা করতে হয়। জামিন মুক্তির বিষয়টি পুলিশ কর্তৃপক্ষ এবং আদালতের পাশাপাশি জনমত নিয়ে প্রকাশ করা হয়।
জামিনে মুক্তির আপোস্থিতি এবং আইভী কেন আপনার মুক্তি ঘটেছে
জামিন হয়, মুক্তি মেলে না, মামলার চক্করে আইভী
আইভীর জামিন আদেশ প্রয়োগের পর তিনি কারাগার ফটকে আইনজীবী এবং স্বজনের উপস্থিতির মধ্যে মুক্তি পেলেন। এই বিষয়টি সামাজিক মাধ্যমে সাধারণ ব্যক্তিদের মধ্যে আলোচনার সূত্র স্থাপন করে। তাঁকে কারাভোগের পরে পূর্বে তিনি নারায়ণগঞ্জে মেয়র হিসেবে কাজ করেন। তিনি মামলার চক্করে আবারও গ্রেপ্তার করা হয় কিন্তু জামিন মুক্তি পেয়েছেন যা তাঁর দায়িত্ব পূরণের একটি প্রধান সূত্র।
আইভী কে জামিন দেওয়া হয় কেন ও মামলার পরিচয়
সেলিনা হায়াৎ আইভী পাঁচটি মামলায় জামিন পেয়েছিলেন যার মধ্যে তিনটি হত্যা মামলা এবং দুটি হত্যাচেষ্টা মামলা রয়েছে। হাইকোর্ট থেকে ৯ নভেম্বর তাঁকে জামিন দেয় কিন্তু রাষ্ট্রপক্ষ তার বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে পাঁচটি আবেদন করে। চেম্বার আদালত সেই আবেদনগুলো আপিল বিভাগে শুনানির জন্য পাঠায়। গত ১০ মে সর্বোচ্চ আদালত আইভীর জামিন বহাল রাখেন যেখানে পৃথক পাঁচটি লিভ টু আপিল খারিজ করা হয়। এই প্রস্তাবে জামিন বহাল রাখার পর তিনি কারাভোগের পরে মুক্তি পেলেন।
জামিনে মুক্তি পেয়ে সেলিনা হায়াৎ আইভী আবারও মামলার চাপ থেকে মুক্তি পেয়েছেন। তাঁর মুক্তি ঘটানোর পিছনে একটি গুরুতর প্রক্রিয়া ছিল। সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশে জামিন প্রয়োগের পর
