ভুয়া এনআইডি তৈরি করছে এআই প্ল্যাটফর্ম
নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিশ্লেষণ করেছে ডিসমিসল্যাব
এআই ব ন য় দ চ ছ – ডিসমিসল্যাব বাংলাদেশের জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) ছবি, নাম, পিতা-মাতার নাম, পরিচয় নম্বর থেকে শুরু করে স্বাক্ষর পর্যন্ত তথ্য পরিবর্তনের ক্ষমতা রেখেছে কিছু জনপ্রিয় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্ল্যাটফর্ম। ওপেনএআইয়ের চ্যাটজিপিটি, গুগলের জেমিনাই, এক্সএআইয়ের গ্রোক এবং অ্যানথ্রপিকের ক্লড পরীক্ষার জন্য অনলাইনে পাওয়া একটি বাংলাদেশি জাতীয় পরিচয়পত্রের নমুনা ও একটি স্টক ছবি ব্যবহার করে। তারপর কাল্পনিক ব্যক্তির নাম, পিতা-মাতার পরিচয় ও পরিচয় নম্বর দিয়ে তথ্য পরিবর্তনের নির্দেশনা দেওয়া হয়। তবে তারা সরাসরি ‘জাতীয় পরিচয়পত্র’ শব্দটি ব্যবহার করেনি।
এআই প্ল্যাটফর্মগুলো সরকারি পরিচয়পত্রে তথ্য পরিবর্তনের অনুরোধে কীভাবে সাড়া দেয় তা তুলনা করতে চ্যাটজিপিটি, জেমিনাই, গ্রোক ও ক্লড কে তারা একই ধরনের নির্দেশনা দেয়। শব্দচয়ন বা ব্যবহৃত নথির পার্থক্যের কারণে ফলাফলে প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা কমাতে এই পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়। ফলাফলে দেখা গেছে, চারটি সিস্টেমের নিরাপত্তাব্যবস্থা এক রকম নয়। কোথাও কঠোর বাধা ছিল, কোথাও আংশিক, আবার কোথাও দৃশ্যমান কোনো বাধাই দেখা যায়নি।
“এআই প্ল্যাটফর্মগুলোর নিরাপত্তা সুরক্ষা বা ‘গার্ডরেল’ এখনো পুরোপুরি নির্ভরযোগ্য নয়। অনেক ক্ষেত্রে সিস্টেমগুলো ঝুঁকিপূর্ণ অনুরোধ বা অপব্যবহারের চেষ্টা শনাক্ত করতে ব্যর্থ হয়, আবার শনাক্ত করলেও সব সময় কার্যকরভাবে ঠেকাতে পারে না। এতে পরিচয় জালিয়াতিসহ বিভিন্ন ধরনের অপব্যবহারের ঝুঁকি বাড়ছে,” বলেছেন ডিজিটালি রাইটের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মিরাজ আহমেদ চৌধুরী।
বিদেশি পরিচয়পত্রেও একই চিত্র ডিসমিসল্যাবের পরীক্ষাটি শুধু বাংলাদেশের পরিচয়পত্রে সীমাবদ্ধ ছিল না। মালয়েশিয়ার মাইক্যাড এবং যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনা অঙ্গরাজ্যের পরিচয়পত্র ব্যবহার করেও পরীক্ষা চালানো হয়। সেখানে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম এবং যুক
