নবীজির কাছে আসা প্রথম ওহি: জ্ঞান বৃদ্ধির ক্ষেত্রে সাফল্যের সূত্র
জ ঞ ন ব দ ধ র – সাফল্য অর্জনের প্রধাম প্রয়োজনীয় সূত্র হলো ক্রমাগত শিক্ষা ও জ্ঞানের বৃদ্ধি। জ্ঞানহীন মানুষ অন্ধের মতো হয়, যারা গন্তব্য পৌঁছানোর সঠিক পথ খুঁজে পায় না। মহানবী (সা.) প্রথম ওহি দ্বারা মানুষকে পড়ার দিকে আহ্বান জানান। তিনি শুধু ধর্মীয় গুরুত্ব দিয়েছিলেন নয়, বরং ব্যবহারিক জ্ঞান ও ভাষার দক্ষতা অর্জনেও গুরুত্ব দিয়েছিলেন।
জ্ঞানের গুরুত্ব প্রতিষ্ঠা
জ্ঞান অর্জন করা কোনো ঐচ্ছিক বিষয় নয়। এটি প্রতিটি মানুষের প্রাথমিক দায়িত্ব। রাসুল (সা.) বলেছেন, “জ্ঞান অর্জন করা প্রত্যেক মুসলিমের জন্য ফরজ (অবশ্যপালনীয়)।”
সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস: ২২৪
শিক্ষার অসামান্য সীমা
নবীজি (সা.) জ্ঞান অর্জনের বয়স বা সীমা ছাড়া মানসিকতা তুলে ধরেছিলেন। তিনি সাহাবিদের জীবনের সমাপ্তি পর্যন্ত জ্ঞান গ্রহণে উৎসাহিত করেছিলেন। তিনি উপকারী জ্ঞানের জন্য সব সময় দোয়া করতেন।
হে আল্লাহ! আমাকে এমন জ্ঞান দিন, যা আমার উপকারে আসবে এবং আমার জ্ঞান বৃদ্ধি করে দিন।
সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস: ২৫১
ভাষার দক্ষতা জ্ঞানের সুযোগ প্রদান
ভাষার দক্ষতা হলো সাফল্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। নবীজি (সা.) সাহাবিদের বিভিন্ন ভাষা শিখার জন্য উৎসাহিত করেছিলেন, যাতে আন্তর্জাতিক যোগাযোগ সম্ভব হয়। হজরত জায়েদ ইবনে সাবিত (রা.) বলেন, “নবীজি আমাকে ইহুদিদের ভাষা (হিব্রু ও সিরিয়াক) শিখানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন।”
সুনানে তিরমিজি, হাদিস: ২৭১৫
ফলে আমি মাত্র ১৫ দিনে তা শিখে ফেলি।
অন্যের মেধা সম্মান করার দরকার
অন্যের জ্ঞানের সম্মান করা একজন সফল নেতার গুণ। নবীজি (সা.) বদর যুদ্ধে শিক্ষিত যুদ্ধবন্দীদের মুক্তি দিয়ে মদিনার শিশুদের অক্ষরজ্ঞান অর্জনে আহ্বান জানান।
আলি মুহাম্মদ সাল্লাবি, আস-সিরাতুন নাবাবিয়্যাহ, ১/৫৪৭
হাতে-কলমে জ্ঞান অর্জন করা
ব্যবহারিক জ্ঞান তাত্ত্বিক জ্ঞানের চেয়ে বৃদ্ধি করে সাফল্যের মান। নবীজি (সা.) সাহাবিদের বিভিন্ন কারিগরি ও সমরবিদ্যা অর্জনে সম্পূর্ণ সাহায্য করেছিলেন।
তোমরা তির নিক্ষেপ করা শেখো এবং অশ্বারোহণ শেখো।
সুনানে আবু দাউদ, হাদিস: ২৫১৩
প্রশ্ন করার আহ্বান
অজানাকে জানার কৌতূহল হারানো সাফল্যের বড় অন্তরায়। নবীজি (সা.) সাহাবিদের প্রশ্ন করার সুযোগ দিতেন এবং নিজেও তাঁদ
