বাংলাদেশ ক ক খুন মামলায় সত্য প্রকাশের প্রক্রিয়া: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষণা
ব ল দ শ ক ক দ – বাংলাদেশ ক ক খুন মামলার সত্য প্রকাশের দাবি জুড়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একটি জনসভায় আস্ফালন করেন। ভারতের পশ্চিমবঙ্গ জনসভায় তিনি জানান যে বাংলাদেশে একটি হত্যা মামলার আসামিকে মেঘালয় পুলিশ গ্রেপ্তার করেছিল। তিনি দাবি করেন যে ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ বিষয়ে তৎকালীন পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে মুখ খুলতে নিষেধ করেছিলেন দেশের স্বার্থের জন্য।
খুন মামলার সত্য প্রকাশের প্রয়োজনীয়তা
গত এপ্রিলে বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির কাছে পরাজিত হওয়ার পর মমতা তাঁর প্রথম জনসভায় বলেন যে কাকে দিয়ে খুন করিয়েছিলেন, কার কার নাম বেরিয়েছিল সব জানেন। এ বিষয়ে তিনি এনআইএ এবং ইডি আমার আমলে এত ভয় দেখায়নি বলে জানান। তিনি দাবি করেন যে সিআইডি তাঁর সরকারের অধীনে কাজ করেছিল এবং এখনও গভর্নমেন্ট পরিবর্তন হলেও তিনি সবটাই জানি বলে উল্লেখ করেন।
বাংলাদেশ ক ক খুন মামলার ঘটনা অনেকটা বিশেষ হিসাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের স্বার্থে ঘটিয়েছিল বলে মমতা দাবি করেন। তিনি বলেন, আগে রাজ্য সরকারের ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্ট এবং স্পেশাল টাস্কফোর্স সংস্থাগুলো অন্যায়ভাবে কাজ করত না। যার ফলে বাংলাদেশে একটি বড় খুনিকে এসটিএফ গ্রেপ্তার করে দেখে রাখুন এবং অনেক আন্দোলন ঘটেছিল বলে মমতা উল্লেখ করেন।
মমতার ভাষণে একটি উল্লেখযোগ্য ঘোষণা ছিল যে বাংলাদেশ ক ক খুন মামলার সত্য প্রকাশের প্রক্রিয়া সম্পর্কে তিনি আগ্রহী। তিনি বলেন, আপনি যদি বাত বাহার নেহি কেহনে কে লিয়ে তাহলে সেটি দেশের জন্য আমি বেঙ্গল পুলিশকে বোল দো এবং এ বিষয়ে আমি সবটাই জানি বলে দাবি করেন।
জনসভার মধ্যে প্রতিক্রিয়া ও প্রতিবেদন
‘আমার হৃদয়টাই একটা কথাভান্ডার, তথ্যভান্ডার, সত্যভান্ডার। সম্পদের ভয়ে কর্মীদের জলে ভাসিয়ে দিয়ে দল ছেড়ে চলে যাব না।’ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর ভাষণে এ কথা বলেন।
রাজ্য সরকারের ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্ট এবং স্পেশাল টাস্কফোর্স সংস্থাগুলো সম্পর্কে মমতা বলেন যে আগে তারা অন্যায়ভাবে কাজ করত না। বাংলাদেশ ক ক খুন মামলায় এসটিএফ গ্রেপ্তার করে দেখে রাখুন এবং অনেক আন্দোলন ঘটেছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন। যদিও মমতার বক্তৃতার মাধ্যমে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের নাম উল্লেখ করেননি, তাই সে শব্দটি বলেছিলেন বলে উল্লেখ করেন। তিনি এক চিৎকারে তৃণমূল সমর্থকরা তাঁকে করে �
