পরকালে শয়তান যেভাবে তার প্রতারণার কথা স্বীকার করবে
শয়তানের প্রভাব ও পরকালের দিব্য বিচার
পরক ল শয়ত ন য ভ ব – মানুষের শত্রু শয়তান ইবলিশ বলে পরিচিত। সে মানুষকে মিথ্যা আশার জালে ফেলে এক অতল গহ্বরে নিয়ে যায়, যেখানে ফেরার পথ থাকে না। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা কেয়ামতের দিন শয়তান ও তার অনুসারীদের বিভ্রান্ত করার ভয়াবহ চিত্র অঙ্কিত করেছেন।
“কাফেররা বলবে, হে আমাদের প্রতিপালক, জিন ও মানুষের মধ্যে যারা আমাদের পথভ্রষ্ট করেছিল, তাদের আমাদের দেখিয়ে দিন; আমরা তাদের আমাদের পায়ের নিচে রাখব, যাতে তারা নিকৃষ্টতরদের (আসফালিন) অন্তর্ভুক্ত হয়।” (সুরা ফুসসিলাত, আয়াত: ২৯)
পরকালের প্রতিশোক ও স্বীকৃতি
শয়তানের অনুসারীদের দুনিয়াতে আদর্শ মেনে চলার পর পরকালে তাদের পরম বন্ধুত্ব চরম শত্রুতায় পরিণত হবে। তারা সেদিন শয়তানকে দোষারোপ করতে শুরু করবে যখন তারা জেনে বুঝে ভুল পথ বেছে নেয়।
“যখন সব বিষয়ের ফয়সালা হয়ে যাবে, তখন শয়তান বলবে, নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের যে ওয়াদা দিয়েছিলেন তা ছিল সত্য ওয়াদা, আর আমি তোমাদের যে ওয়াদা দিয়েছিলাম তা এখন আমি ভঙ্গ করলাম। তোমাদের ওপর আমার কোনো আধিপত্য ছিল না, আমি তো শুধু তোমাদের ডেকেছিলাম আর তোমরা আমার ডাকে সাড়া দিয়েছিলে।” (সুরা ইব্রাহিম, আয়াত: ২২)
আল্লামা তানতাভি লিখেছেন, শয়তান তার অনুসারীদের মনে করিয়ে দেবে যে তারা জেনে-বুঝে ভুল পথ নিয়েছিল। এ সময় তার বক্তব্য অসান্ত্বনাময় হবে এবং সে নিজেও আল্লাহর আজাব থেকে রেহাই পাবে না।
শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণের প্রভাব
শয়তান মানুষের সামনে একবারে বড় পাপে পরিচিত হয় না। বরং সে খুতুওয়াতুশ শয়তান বলে পরিচিত পদক্ষেপে মানুষকে আল্লাহর পথ থেকে দূরে সরায়। প্রথমে সে পাপকে সুন্দর করে প্রকাশ করে, তারপর তাকে অভ্যস্ত করে এবং সবশেষে মনকে মোহগ্রস্ত করে যেন সত্য দেখতে পায় না।
কোরআন সাবধান করে দিয়েছে: “হে ইমানদারগণ, তোমরা শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করো না।” (সুরা নূর, আয়াত: ২১)
পরকালের সারমর্ম
পরকালে শয়তানের বক্তব্য সান্ত্বনার স্থান দখল করবে না, বরং নির্দয় বিদ্রূপের স্থান হবে। তারা সেদিন অন্যদের নিচু করতে চাইবে, কিন্তু বাস্তবে তারা নিজের কৃতকর্মের জন্য নিকৃষ্টতম স্থানে নিক্ষিপ্ত হবে।
কোরআন জীবনের সফলতার পথ দেখায় এবং মানুষকে সতর্ক করে থাকে। এ পথ অবলম্বন করে মানুষ স্রষ্টার �
