Uncategorized

মশা নিধন শিখতে ফ্লোরিডা যাওয়ার দরকার নেই, ডোবার পাশে বসলেই উপায় বের হবে

মশা নিধন শিখতে ফ্লোরিডা যাওয়ার দরকার নেই, ডোবার পাশে বসলেই উপায় বের হবে মশ ন ধন শ খত ফ ল - বাংলাদেশের মশ নিধন কার্যক্রম পরিদর্শনের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক

Desk Uncategorized
Published June 2, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

মশা নিধন শিখতে ফ্লোরিডা যাওয়ার দরকার নেই, ডোবার পাশে বসলেই উপায় বের হবে

মশ ন ধন শ খত ফ ল – বাংলাদেশের মশ নিধন কার্যক্রম পরিদর্শনের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অনুমোদন পাওয়া যায়নি যখন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র শাহাদাত হোসেন এবং পাঁচ জন কর্মকর্তা যুক্তরাষ্ট্রে মশা নিধনের কার্যক্রম দেখার জন্য যাওয়ার প্রস্তাব দেন। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে বিদেশ সফরের অনুমোদন পাওয়া যায়নি এ বিষয়ে নিশ্চিত করেছেন ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দীন আহমেদ। এ সম্পর্কে তিনি জানিয়েছেন যে মশ ন ধন শিখতে ফ্লোরিডা যাওয়ার দরকার নেই, দেশের প্রাকৃতিক পরিবেশে সন্ধ্যার পর ডোবার পাশে অবস্থান করলে মশ ন ধন সম্পর্কে স্বল্প সময়ে অনেক উপকারী পদ্ধতি অনুসরণ করা সম্ভব।

মশ ন ধন সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের উপায়

এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রস্তাবের সারসংক্ষেপ পাঠানো হয়েছিল। করপোরেশন মশ নিধনে প্রায় পৌনে চার কোটি টাকার আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। আবিষ্কৃত কীটনাশক বিটিআই (বাসিলাস থুরিনজেনসিস ইসরায়েলেনসিস) কিনেছে যার সম্পর্কে তথ্য জানা গেছে। বাসিলাস থুরিনজেনসিস ইসরায়েলেনসিস কীটনাশক দেশের নিজস্ব জল স্রোত ব্যবহার করে মশ ন ধন করতে পারে। এই পদ্ধতি প্রকৃতিগত কার্যকারিতা সম্পর্কে বেশি তথ্য সংগ্রহ করতে সম্ভব।

“মশ নিধন শিখতে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় যাওয়ার দরকার নেই। দেশের প্রাকৃতিক পরিবেশে সন্ধ্যার পর ডোবার পাশে অবস্থান করলে মশ নিধনের পদ্ধতি অনুসরণ করা সম্ভব। এ সম্পর্কে কোনো সফরের প্রয়োজন হবে না,” জানিয়েছেন ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দীন আহমেদ।

যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো এবং ফ্লোরিডা রাজ্যে কীটনাশক কারখানা ও ল্যাব দেখা ছিল। এখানে আরও বেশি তথ্য সংগ্রহের সুযোগ ছিল। কিন্তু স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাকে সঙ্গে নেওয়া হয়েছিল। এটি মশ নিধনের সুষ্ঠু পদ্ধতি ব্যবহারের জন্য প্রয়োজন ছিল। কিন্তু এখন দেশের নিজস্ব জল স্রোত পরিদর্শনের মাধ্যমে সেই উপায় নিশ্চিত করা যাচ্ছে।

তুলনা করে প্রয়োগ করা সম্ভব

মশ নিধন করার জন্য প্রতিটি ব্যক্তি বা কর্মকর্তা ডোবার পাশে স্থায়ী অবস্থান করতে পারে। এ সময়ে প্রকৃতিগত কার্যকারিতা পরিচিত হওয়া সম্ভব। যেমন মশ নিধনের জন্য সম্পর্কে আধুনিক পদ্ধতি নিশ্চিত করা হয়। ফ্লোরিডার আয়োজিত কার্যক্রমের সাথে তুলনা করে দেশের জন্য প্রয়োগ করা সম্ভব। এ বিষয়ে নিশ্চিত করেছেন ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দীন আহমেদ।

বাসিলাস থুরিনজেনসিস ইসরায়েলেনসিস কীটনাশক প্রতি দিন ব্যবহার করা হচ্ছে। এটি মশ নিধনের সাথে সম্পর্কিত। যেমন এই ওষুধ ব্যবহার করে ডোবার পাশে স্থায়ী অবস্থান করলে মশ নিধনের সুষ্ঠু পদ্ধতি অনুসরণ করা সম্ভব। প্রাকৃতিক পরিবেশের সাথে সম্পর্কে আরও অধিক পরিচিতি হয়।

বাংলাদেশে মশ নিধনের প্রক্রিয়া এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। বাসিলাস থুরিনজেনসিস ইসরায়েলেনসিস কীটনাশকের সাথে �

Leave a Comment