Uncategorized

ইরানের গোরুক শহর ও কেশম দ্বীপের সামরিক স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের হামলা

ইরানের গোরুক শহর ও কেশম দ্বীপের সামরিক স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের হামলা ইর ন র গ র ক শহর - যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) ঘোষণা করেছে যে তারা গত

Desk Uncategorized
Published June 1, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

ইরানের গোরুক শহর ও কেশম দ্বীপের সামরিক স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের হামলা

ইর ন র গ র ক শহর – যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) ঘোষণা করেছে যে তারা গত সপ্তাহান্তে ইরানের গোরুক শহর ও কেশম দ্বীপে রাডার সংযোগে ড্রোন সম্পর্কিত স্থাপনার উপর আত্মরক্ষামূলক হামলা চালিয়েছে। এই ঘটনা নিয়ে কমান্ড কর্তৃক প্রকাশিত একটি পোস্টে এ তথ্য উল্লেখ করা হয়। তারা দাবি করেছে যে যুক্তরাষ্ট্র আগ্রাসী পদক্ষেপের প্রতিবাদে আন্তর্জাতিক জলসীমার সাথে একটি মার্কিন এমকিউ–১ ড্রোনের কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া সহ হামলাটি পরিচালনা করেছে।

সামরিক স্থাপনার বিস্তার

সেন্টকমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, হামলার মাধ্যমে ইরানের সীমান্ত সংরক্ষণের জন্য ডিজাইন করা একটি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও স্থলভিত্তিক নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র ধ্বংস করা হয়েছে। এছাড়াও দুটি ড্রোন আঞ্চলিক জলসীমার ভিতর চলাচলের জন্য স্পষ্ট হুমকি ছিল বলে দাবি করা হয়। হামলার ফলে তারা মার্কিন বাহিনীর একটি প্রধান হামলার মাধ্যমে পরিচালিত সম্পূর্ণ স্থাপনা নির্মূল করেছে যা যুদ্ধ কর্মকর্তাদের জন্য স্থায়ী সমর্থন প্রদান করত।

তদ্বারা পরিচালিত হামলা বিশেষ করে সামরিক গোঁড়া বা জাহাজ সংরক্ষণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এলাকার উপর পরিচালিত হয়েছে। তবে হামলা সম্পর্কে তথ্য প্রকাশের মাধ্যমে সেন্টকম তাদের সামরিক ক্ষমতার প্রমাণ করতে চেয়েছে এবং ইরানের সম্পূর্ণ সামরিক সম্পদের প্রতি তাদের প্রতিক্রিয়ার পরিমাণ সম্পর্কে বিশদ বর্ণনা দেওয়া হয়। এটি অনুমান করা হয়েছে যে ইরানের প্রতি আক্রমণের প্রতি যুক্তরাষ্ট্র আত্মরক্ষার জন্য নির্দিষ্ট কর্ম পরিচালনা করেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের এই হামলার পরে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) একটি প্রকাশনা দিয়েছে যে তারা মার্কিন এমকিউ–১ ড্রোনটি ভূপাতিত করেছে। এই ঘটনাটি সম্পর্কে ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা কর্তৃক প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে শত্রুতামূলক অভিযান পরিচালনার উদ্দেশ্যে ড্রোনটি ইরানের আকাশসীমার ভিতরে প্রবেশ করেছিল।

Leave a Comment