আগামী বাজেট: ব্যবসা ও বিনিয়োগবান্ধব নীতি গুলি চালু করছে সরকার
বাজেট কর্মসূচি ও স্থায়ী নীতি গুলি
আগ ম ব জ ট ব যবস – আগামী বাজেট দ্বারা ব্যবসা ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের সম্পর্কে সুবিধা সৃষ্টি করা হবে বলে জানান রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা আগামী বাজেটে স্থায়ী নীতিগুলি প্রবোধন করছেন, যাতে শিল্প ও বিনিয়োগকারীদের জন্য অনুকূল মাহফুজ বাড়ে। এ বিষয়ে তিনি বলেন, আগামী বাজেট ব্যবসাবান্ধব করতে সরকার সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।
শুক্রবার দুপুরে রাজবাড়ী পৌরসভার রজনীগন্ধা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় আগামী বাজেটে আগামী বাজেটের বিষয়ে তিনি তাঁর দৃষ্টিকেন্দ্র ঘোষণা করেন। বিশেষ অতিথি হন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম। সভায় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রধান ও জনপ্রতিনিধিরা অংশ গ্রহণ করেন।
বিনিয়োগবান্ধব প্রকল্পগুলি
রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর আগামী বাজেটে জনগণের ক্ষেত্রে বিনিয়োগবান্ধব প্রকল্প চালু করতে চাইছেন। তিনি জানান, দেশের অবহেলিত অঞ্চলগুলোতে শিল্প উৎপাদন ও সহায়তা ব্যবস্থা প্রস্তাবিত। এ বিষয়ে আগামী বাজেটে প্রতিষ্ঠানগুলি একযোগে কাজ করতে চাই।
তিনি বলেন, নারী ও ক্ষুদ্র শিল্পকলকারখানার জন্য নিম্ন সুদের হার প্রদান করা হবে। আগামী বাজেটে কর্মসংস্থান বাড়ানো ও বেকারত্ব দূর করার জন্য আগামী বাজেট বিনিয়োগের পরিস্থিতি উন্নয়নে প্রতিষ্ঠা করবে।
সরকার আগামী বাজেটে স্বাস্থ্য ব্যবস্থার মূল্য বৃদ্ধি করতে চাইছেন। প্রধানমন্ত্রী দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় আগামী বাজেট বড় পরিবর্তন ঘটানোর আশা করছেন। তিনি বলেন, আগামী বাজেট স্বাস্থ্য অধিকার হিসেবে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের জন্য অনুকূল কর্মসূচি তৈরি করবে।
শিক্ষার গুণগত মান ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে আগামী বাজেট নতুন পরিবর্তন ঘটানো দরকার। তিনি জানান, আগামী বাজেট দ্বারা বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠানগুলি একত্রে কাজ করবে এবং এ ক্ষেত্রে আগামী বাজেট প্রথম বাজেটটি জনবান্ধব হবে।
আগামী বাজেট সঠিক পরিকল্পনা দ্বারা শিল্প ও বিনিয়োগের প্রতি জনগণের দৃষ্টিকেন্দ্র ঘোষণা করছে সরকার। তিতুমীর বলেন, রাজবাড়ীতে বাংলাদেশ অক্সিজেন কোম্পানির জন্য �
