Uncategorized

সৌদি আরবের জেল থেকে মুক্তি পেতে চেয়েছিলেন শাকিল, ফিরলেন নিথর দেহে

সৌদি আরবের জেল থেকে মুক্তি পেতে চেয়েছিলেন শাকিল, ফিরলেন নিথর দেহে স দ আরব র জ ল থ - সৌদি আরবে মারা যাওয়া যুবকের শরীর কিশোরগঞ্জে আনা হয়েছে। আজ শনিবার সকালে

Desk Uncategorized
Published June 13, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

সৌদি আরবের জেল থেকে মুক্তি পেতে চেয়েছিলেন শাকিল, ফিরলেন নিথর দেহে

স দ আরব র জ ল থ – সৌদি আরবে মারা যাওয়া যুবকের শরীর কিশোরগঞ্জে আনা হয়েছে। আজ শনিবার সকালে সরকারি সহযোগিতায় তাঁকে কিশোরগঞ্জ সদরের মারিয়া ইউনিয়নের পূর্ব কাতিয়ারচর এলাকায় নিয়ে আসা হয়। বাড়িতে শোকের ছায়া ছড়িয়ে পড়েছে।

নিহত যুবকের নাম শাকিল মিয়া (২৮)। তিনি সৌদি আরবের কারাগারে বন্দি ছিলেন। পরিবারের সূত্র মতে, তিনি ২০১৯ সালে অভাব-অনটনের কারণে ঢাকার বনানী এলাকার আলতাব রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে সৌদি আরবে যান। নিয়োগকর্তার সঙ্গে কাজের অনুমতিপত্র (ইকামা) নিয়ে জটিলতা ঘটে এবং তিনি কর্মস্থল ত্যাগ করেন। পরে অবৈধভাবে কাজ করতে চলে যান এবং সৌদি পুলিশের হাতে আটক হন। কারাগারে পাঠানো হয় তাঁকে।

অনুসন্ধান করা হয়েছিল দেশে ফেরার জন্য জামিন করতে প্রায় দুই লাখ টাকা প্রয়োজন বলে শাকিল জানান। তাঁর বাবা আত্মীয়স্বজনের কাছ থেকে টাকার ব্যবস্থা করে তাকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনেন। পরিবারের সদস্যদের কথে, কারাগারে থাকার সময় তিনি শারীরিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছিলেন। ফোনে তাঁর মা এবং স্বজনদের জানান যে, তিনি খুব কষ্টে আছেন। শরীর শুকিয়ে গেছে। জেলের খাবার খাওয়া যাচ্ছিল না। তাঁকে দ্রুত আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে দেশে ফেরানো হয়েছিল।

১৫ মে কারাগারে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত যন্ত্র (এসি) বিস্ফোরণের ফলে শাকিল শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত হন। সেখানেই তাঁর মৃত্যু ঘটে বলে পরিবার দাবি করেন।

“সংসারের অভাব ঘুচাতে ঋণ করে ছেলেকে বিদেশ পাঠিয়েছিলাম; কিন্তু আমার ছেলের কপালে বিদেশ সইল না। যেতে হলো কারাগারে। কত কষ্টই না করে ছেলে আর রইল না। মৃত্যুর ১০ দিন আগে তাঁদের সঙ্গে শেষবার কথা হয়েছিল। তখন শাকিল জামিন ও আইনি প্রক্রিয়ার জন্য অর্থের প্রয়োজনের কথা জানিয়েছিল। ঋণ করে প্রায় আট হাজার সৌদি রিয়াল সৌদি আরবে ছেলের মরদেহ আনতে দরকার ছিল; কিন্তু আমাদের কাছে কোনো টাকাপয়সা ছিল না।”

বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম ছেলের মরদেহ বাংলাদেশে আনার জন্য কিশোরগঞ্জ-৬ (ভৈরব-কুলিয়ারচর) আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে উদ্যোগ নেন। তাঁর সহযোগিতায় সরকারি উদ্যোগে মৃত ছেলের চেহারা পরিবারের দেখার সুযোগ হয়েছে। এই ছেলেই ছিল আমার সংসারের একমাত্র উপার্জনক্ষম বলে ওমর ফারুক কথা বলেন।

Leave a Comment