Uncategorized

কিসের টানে পতেঙ্গা সৈকতে ছোটেন এত মানুষ, কী আছে

কিসের টানে পতেঙ্গা সৈকতে ছোটেন এত মানুষ, কী আছে ক স র ট ন পত ঙ - বিকেলের আলো ধীরে স্থির হয়ে আসছে, ক্রমাগত তুমুল হয়ে ওঠে সমুদ্রপাড়ের উপস্থিতি। সমুদ্রের পাশে

Desk Uncategorized
Published May 29, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

কিসের টানে পতেঙ্গা সৈকতে ছোটেন এত মানুষ, কী আছে

ক স র ট ন পত ঙ – বিকেলের আলো ধীরে স্থির হয়ে আসছে, ক্রমাগত তুমুল হয়ে ওঠে সমুদ্রপাড়ের উপস্থিতি। সমুদ্রের পাশে বিশাল সংখ্যক মানুষ অবস্থিত। কেউ ছবি তুলছেন, কেউ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে হাঁটছেন সৈকতের পাড় ধরে। দূরে জাহাজের দৃশ্য দেখে এক ছোট মেয়ে বাবাকে বলে উঠল, ‘বাবা দেখো, দূরে জাহাজ।’ পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটিতে শুক্রবার চট্টগ্রামের পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকতে গিয়ে দেখা যায় পুরো এলাকা জুড়ে মানুষের ঢলের প্রতি উপস্থিতি। দুপুরের পর থেকে শুরু হয়ে ওঠে ভিড়ের বৃদ্ধি। রাউজান উপজেলা থেকে স্ত্রী ও মেয়েকে নিয়ে ঘুরতে এসেছেন ইদ্রিস আলী। তিনি মেয়ের জন্য কিনেছেন বেলুন, খেলনা ও আইসক্রিম। তিনি বলেন, ‘ঈদের ছুটিতে মেয়েকে নিয়ে একটু ঘুরতে এসেছি। সমুদ্র দেখে ও খুব খুশি।’

সমুদ্রপাড়ে তাকালে দেখা যাচ্ছিল তুমুল জাহাজের ঢেউয়ে কেটে পড়া ছোট ছোট জাহাজ। শিশুরা বিশেষ করে মুগ্ধ হয়ে সেদিকে তাকিয়ে ছিল। সৈকতের হাঁটার পথ জুড়ে ছিল বিশাল সংখ্যক মানুষের ঢল। কেউ পাথরের বাঁধে বসে সমুদ্র দেখছিলেন, কেউ ছবি তুলছিলেন। অনেকে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে হাঁটছিলেন। আবার কেউ ঢেউয়ের কাছে মোবাইল ফোনে স্মৃতি ধরে রাখছিলেন। শিশুদের হাসি আর চিৎকারে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।

নগরের চকবাজার এলাকা থেকে পরিবার নিয়ে ঘুরতে এসেছিলেন মহিবুর রহমান। তাঁকে দেখা যায় নাগরদোলার পাশে মেয়েকে নিয়ে অপেক্ষা করতে। হাসতে হাসতে তিনি বলেন, ‘বাচ্চারা অনেক দিন ধরে সমুদ্রে আসার জন্য বায়না করছিল। ঈদের ছুটিতে তাই সবাইকে নিয়ে চলে এলাম। ওদের আনন্দ দেখেই ভালো লাগছে।’

বিকেলে সমুদ্রের বাতাসে ভেসে আসছিল কাঁকড়া ফ্রাই, ঝালমুড়ি, চটপটি ও ভাজাপোড়ার গন্ধ। খাবারের দোকানগুলোতে ছিল উপচে পড়া ভিড়। কেউ কাঁকড়া ফ্রাই খাচ্ছিলেন, কেউ ফুডকোর্টে বসে আড্ডা দিচ্ছিলেন। আবার অনেকে ঝালমুড়ি কিংবা বাদামের ঠোঙা হাতে সম

Leave a Comment