তৃণমূল পরাজয়ের পর শত্রুঘন রাজনীতি ছাড়বেন? সোনাক্ষী সিনহার মুখ খুললেন
পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূলের পরাজয়ের পর রাজনৈতিক পরিবর্তন হতে পারে কি?
পশ চ মবঙ গ ত ণম ল – পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস স্বাধীন সংসদ সদস্যদের কাছে পরাজিত হওয়ার পর অনেকে দল ছাড়ার পরিকল্পনা প্রকাশ করেছেন। তবে সোনাক্ষী সিনহার মতে, বাবা শত্রুঘন সিনহার স্থান তৃণমূলের মধ্যে যাওয়ার কোনো পরিকল্পনা নেই। তিনি এটা ঘোষণা করেন যে তাঁর দল হারালেও রাজনৈতিক জীবন ছাড়ার আগ্রহ আছে না। তিনি বলেন, “বাবার যোগ্যতায় তিনি আমাকে সবসময় শিখিয়ে আসছেন। এই মুহূর্তে তৃণমূলের পরাজয়ের কারণে তাঁকে যে কোনো অপমান হতে হবে না।”
তৃণমূলের পরাজয় নিয়ে সোনাক্ষী কী মনে করেন?
পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক পরিবর্তন নিয়ে সোনাক্ষী সিনহার মতামত ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, “তৃণমূল পরাজিত হওয়ার পর সামনে এখন আর আমার স্বপ্নের ছায়া নেই। বাবা যে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিনিধি ছিলেন, তার কারণে তিনি আমার কাছে একটি উদাহরণ হয়ে দাঁড়িয়েছেন।” তিনি আরও বলেন যে, বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পর সামনে অনেক সম্ভাবনা রয়েছে এবং তৃণমূল কংগ্রেসের নতুন সরকার গঠন করা হয়েছে এবং এর প্রতিক্রিয়া আলোচনা করা হয়েছে।
বাবার সঙ্গে সম্পর্কের সমীকরণ কেমন?
সোনাক্ষী তাঁর বাবা শত্রুঘন সিনহার প্রতি খুব গভীর আসক্তি প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “বাবা সাধারণত সন্তানদের প্রতি কঠোর হন। কিন্তু আমার বাবা আমার প্রতি খুব নরম ছিলেন। আমাকে সবসময় বলতেন যে নিজের যোগ্যতায় নিজেকে প্রমাণ করতে হবে।” সোনাক্ষী আরও জানান, বাবা তাঁর স্বপ্ন পূরণে সাহায্য করেছেন এবং পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেস স্থান হারালেও তাঁর আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পেয়েছে।
প্রেমের আঁশ থেকে সোনাক্ষীর জীবনে কী ভূমিকা পালিয়েছে?
সোনাক্ষী সিনহার মতে, তৃণমূল কংগ্রেস নেতা শত্রুঘন সিনহার সাথে তাঁর প্রেমের আঁশ ছিল না। তিনি বলেন, “বাবা কোনো প্রেমের অভিজ্ঞতা নিয়ে আমাকে কখনো বলেননি। কিন্তু তিনি সবসময় আমার মনের দিক থেকে শক্তিশালী হতে সাহায্য করেছেন।” তৃণমূল পরাজয়ের পর তিনি বলেন যে, এই ধরনের মানসিকতা তাঁর জীবনে প্রভাব ফেলেছে।
বাবার দলের সাথে তাঁর সম্পর্ক কেমন বলে মনে হয়?
সোনাক্ষী সিনহার মতে, তৃণমূল কংগ্রেসে বাবার রাজনৈতিক জীবন সম্পূর্ণ আলাদা ছিল। তিনি বলেন, “বাবা সবসময় সংসদ সদস্য হিসাবে নিজেকে প্রমাণ করতে চেয়েছেন। কিন্তু আমাকে কখনো কোনো পরিকল্পনা নিয়ে বলেননি।” সোনাক্ষী আরও বলেন যে, তৃণমূল পরাজয়ের পর তাঁর বাবা সরাসরি রাজনৈতিক
