প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কোরবানি পশু বর্জ্য পরিদর্শনে ঢাকার চার ঘন্টা ঘুরে দেখেন
বর জ য ব যবস থ পন – বর্জ্য অপসারণ প্রক্রিয়া সংক্রান্ত কাজ দেখতে রাজধানীর বিভিন্ন অঞ্চলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পরিদর্শন করেন। বৃহংশদিন বেলা দুইটা থেকে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত তিনি বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন। প্রধানমন্ত্রী নিজে গাড়ি চালান এবং পরিদর্শন করেন।
প্রধানমন্ত্রীর গাড়িতে সামনে আসনে ছিলেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। পেছনে আসনে ছিলেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির বিশেষ সম্পাদক মুহাম্মদ বেলায়েত হোসেন মীরদা ও প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব-২ মেহেদুল ইসলাম।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আমাকে এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি প্রশাসক আবদুস সালামকে তাঁর বাসার সামনে যেতে বলেন। সেখানে গেলে তিনি আমাদের গাড়িগুলো ছেড়ে দিতে বলেন। এরপর তাঁর গাড়িতে আমাদের উঠিয়ে নেন। প্রধানমন্ত্রী কেন ডেকেছেন, কোথায় যাবেন—সে বিষয়ে আমাদের কোনো ধারণা ছিল না।
মীর শাহে আলম বলেন, পরে দেখি, তিনি ঢাকায় চলমান বিভিন্ন উন্নয়ন কাজ এবং কোরবানি পশু বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কেমন হচ্ছে, তা সরেজমিনে দেখতে বের হয়েছেন। কয়েকটি এলাকার অবস্থা দেখে তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করেন।
বিশেষ সংক্রান্ত প্রাথমিক পরিদর্শন
পরিদর্শন কালে হাতিরপুল, এলিফ্যান্ট রোড, গ্রিনরোড, ফার্মগেট ও কারওয়ান বাজার এলাকায় কোরবানি পশু বর্জ্যের পাশাপাশি আগের জমে থাকা ময়লা রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। এসব এলাকায় বর্জ্য অপসারণে অবহেলার বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর নজরে আসে।
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের দুই আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাকে তাৎক্ষণিকভাবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়। একই সঙ্গে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে তাঁদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ন্যস্ত কর্মকর্তারা কারা
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত হওয়া কর্মকর্তারা হলেন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের অঞ্চল-৫ এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাদেকুর রহমান এ
