বাগমারায় মাছ ব্যবসায়ীকে পুলিশের উপস্থিতিতে ফাঁকা চেক ও স্ট্যাম্পে সই নেওয়ার অভিযোগ
ব গম র য় মব ত র – বাগমারা উপজেলার এক মাছ ব্যবসায়ী আসাদুল ইসলামকে পুলিশের হাতে আটকে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ জানানো হয়েছে। স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী, গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে আসাদুল ইসলাম নিজ বাড়িতে ছিলেন। বেলা সাড়ে তিনটার দিকে তাঁর গ্রামে হাসান সরদার, মাসুদ রানা ও আশরাফুল ইসলাম তাঁর বাড়িতে পৌঁছে গেলে তাঁকে সেখান থেকে তুলে গ্রামের অন্য প্রান্তে নিয়ে আটকে রাখা হয়। সন্ধ্যার দিকে তাঁকে প্রকাশ্যে আনা হয়, যাতে গোটা ১২০ থেকে ১৩০ জন লোক জড়ো হয়। পরে ঘটনাস্থলে আসে পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের একদল। এ সময় মবকারীদের পুলিশকে ঘিরে ফেলে দেওয়া হয়।
মাছ চাষ প্রকল্পের ব্যাংক চেক ও নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে সই নেওয়ার আরোপ হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ব্যবসায়ীর দাবি, মাছ চাষ প্রকল্পের টাকা আত্মসাত করার অভিযোগে তাঁর কাছ থেকে সই নেওয়া হয়েছে। আসাদুল ইসলাম বর্তমানে দায়িত্ব পালন করছেন না, যে কারণে তিনি স্থানীয় কোলা বিলে মাছ চাষ প্রকল্পের কোষাধ্যক্ষ ছিলেন। তিনি আট মাস আগে হাসান সরদার কর্তৃক হিসাব বুঝিয়ে দিয়ে দায়িত্ব ছেড়ে দেন।
“যা হয়েছে, পুলিশের সামনেই হয়েছে। পুলিশ উপস্থিত থেকে সব করেছে।”
স্থানীয় লোকজনের দাবি, পুলিশ ব্যবসায়ীকে উদ্ধার না করে বাড়ি থেকে চেক ও ফাঁকা সই নিয়ে যায়। পুলিশের সহযোগিতায় তিনটি ফাঁকা চেক ও তিনটি স্ট্যাম্পে সই নেওয়া হয়। স্থানীয় নরদাশ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম বলেন, “মব করে এ রকম ভীতিকর পরিস্থিতি তৈরি করেছে। পুলিশ ব্যবসায়ীকে উদ্ধার না করে চেক আইন্যা ফাঁকা সই লিইয়া লিচে।”
মবের সঙ্গে জড়িত সাত-আটজন বলেন, আসাদুল ইসলাম মাছের খাদ্য কমিশনের টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে তাঁরা শুনেছেন। কিন্তু এ বিষয়ে তাঁরা কোনো মামলা বা লিখিত অভিযোগ করেননি। ঘটনার সময় উপস্থিত থাকা হাটগাঙ্গোপাড়া পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের সহকারী উপপরিদর্শক আবদুল মান্নান মামলা বা অ
