বেইজিংয়ে ট্রাম্প, ‘ইরান–জট’ খুলতে কি পাশে পাবেন চীনকে
পৌঁছানো ট্রাম্প কার্যক্রম নিয়ে চীনের সহযোগিতা আশা
ব ইজ য় ট র ম প – বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী, শান্তি আলোচনা ঘিরে অচলাবস্থার কারণে ইরান যুদ্ধ আবার শুরু হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। আজ বুধবার ইরানের বিরুদ্ধে আক্রমণের প্রস্তাব নিয়ে বেইজিংয়ে পৌঁছান যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই সফরে বাণিজ্য সংক্রান্ত বিষয়গুলি বেশি গুরুত্ব পাবে বলে ধারণা।
এমন এক সময়ে ট্রাম্প বেইজিং গেলেন, যখন ইরানের সঙ্গে শান্তিচুক্তি আকাঙ্ক্ষার জন্য এক মাসের বেশি চেষ্টা করা হয়েছিল কিন্তু কোনো ফল আসেনি। পাকিস্তানের মধ্যস্থতার পর চীনের সঙ্গে সমঝোতা নিয়ে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।
বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন চীনের ভাইস প্রেসিডেন্ট হান ঝেং ও সর্বশেষ শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তারা। ট্রাম্প বলেন, ‘আমরাই দুই পরাশক্তি। সামরিক শক্তির দিক থেকে আমরাই পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী দেশ।’
গতকাল মঙ্গলবার ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, ‘ইরান বিষয়ে আমাদের কোনো সাহায্যের প্রয়োজন নেই। শান্তিপূর্ণ উপায়ে বা অন্য কোনো ভাবে, আমরাই এই যুদ্ধে জয়ী হব।’
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং এর মধ্যে আগামীকাল বৃহস্পতিবার ও পরদিন শুক্রবার বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছে। এ বিষয়ে চীনের সাহায্য প্রয়োজন হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
অন্যদিকে চীন জাতিসংঘের স্থায়ী সদস্য। ইরান যুদ্ধ বন্ধ করতে তেহরানকে ওয়াশিংটনের সঙ্গে শান্তিচুক্তি করাতে রাজি করানোর জন্য চীনকে উৎসাহিত করার আশা রেখেছেন ট্রাম্প।
যুদ্ধের কারণে বিশ্বে জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রণালি হরমুজ সীমান্ত প্রায় বন্ধ থাকায় চীনও ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। এ বিষয়ে তারা সম্প্রতি তেহরান থেকে সবচেয়ে বেশি অপরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি করে।
তিনি বেইজিংকে উৎসাহিত করবেন, যাতে তারা তেহরানকে ওয়াশিংটনের সঙ্গে শান্তিচুক্তি করাতে রাজি করায়। ওয়াশিংটনভিত্তিক চিন্তন প্রতিষ্ঠান স্টিমসন সেন্টারের ন্যাশনাল সিকিউরিটি রিফর্ম প্রোগ্রামের পরিচালক ড্যান গ্রেজিয়ার বলেন, ‘ইরানকে আলোচনার টেবিলে ফিরিয়ে আনতে এবং সমঝোতায় সম্মত হতে চাপ দিতে অন্তত সি চিন পিংকে পাশে পেতে চাইবেন ট্রাম্প। এ বিষয়ে আমার কোনো সন্দেহ নেই।’
