মালদ্বীপ কোচের সাথে লড়াকু মেয়েদের নিয়ে কুর্নিশ সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ
২৮ দ ন র প রস ত – বাংলাদেশের বিরুদ্ধে মালদ্বীপ নারী ফুটবল দল দুই গোলে পিছিয়ে হয়ে মঞ্চে ২-২ সমতায় ফিরে আসে। এই ম্যাচ ছিল সাফ থেকে বিদায় নেওয়ার পূর্বে দুর্গম পরিস্থিতির বিরুদ্ধে জয়ের এক বড় সাফল্য। কোচ সাবাহ মোহামেদ ইব্রাহিম নিজের নারী দলকে প্রশিক্ষণের সময় ছিল খুব কম।
অল্প সময়ে নির্ভরশীল দল গড়ার চ্যালেঞ্জ
তিনি মনে করেন যে মালদ্বীপে ফুটবল উন্নয়ন হলো একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়া। তাঁর কথায়, “ভারত ও বাংলাদেশের পেশাদার দলগুলো বছরের পর বছর প্রস্তুতি নেয়, ইউরোপে ক্যাম্প করে। আমাদের সম্পূর্ণ পেশাদার লিগ নেই, মেয়েদের মূলত ফুটসাল থেকে বাইরে আসে।”
“আমি আমার মেয়েদের নিয়ে গর্বিত, তারা মাঠে নিজেদের সবটুকু উজাড় করে দিয়েছে,” সাবাহ কোচ বলেন।
টুর্নামেন্টে আসার আগে মুম্বাই বিমানবন্দরে ক্ষতিগ্রস্ত কোচ একটি মুখ্য সমস্যা সম্মুখীন হন। অর্ধেক খেলোয়াড় টিকিট ও প্রশাসনিক কারণে আটকে পড়েছিলেন। তাঁর মনে আছে, “আমাদের কিছু লাগেজ হারিয়ে গিয়েছিল… টিকিট সমস্যার কারণে অর্ধেক দল মুম্বাই থেকে পরে আসে। আমাদের হাতে বিশ্রামের জন্য ২৪ ঘণ্টাও সময় ছিল না।”
বাংলাদেশের বিপক্ষে সামগ্রিক বিজয় আনন্দ
তবে ভারতের বিরুদ্ধে ১১-০ গোলে হারার পর মালদ্বীপ কোচ নিজের দলের সামগ্রিক প্রতিরোধে মুগ্ধ হন। তিনি বলেন, “শেষ সেকেন্ড পর্যন্ত লড়াই করে গেছে। ওরা এত ভালো খেলেছে যে আমি নিজেও অবাক হয়েছিলাম।”
মালদ্বীপের মেয়েদের ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য কোচ তাঁর দলকে স্পষ্ট কৌশল দেখান। তাঁর কথায়, “আমাদের ডিফেন্ডিং শুরু হয় স্ট্রাইকার থেকে। যদি সেন্টার ব্যাক বল নিয়ে এগিয়ে আসে, তবে স্ট্রাইকারই প্রথম ডিফেন্ডার হিসেবে তাকে আটকাবে।”
“আমি আমার মেয়েদের বলেছিলাম গোল খাওয়ার পরেও ভেঙে না পড়তে। এক গোল খাওয়ার পর লক্ষ্য ছিল দ্বিতীয় গোলটা যেন না খাই,” কোচ বলেন।
