Uncategorized

সিডনিসহ অস্ট্রেলিয়া জুড়ে ঈদ উদযাপন, প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা

সিডনিসহ অস্ট্রেলিয়া জুড়ে ঈদ উদযাপন, প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা স ডন সহ অস ট র ল - অস্ট্রেলিয়ায় সিডনি, ক্যানবেরা ও মেলবোর্নে বসবাস করে বাংলাদেশি প্রবাসীদের

Desk Uncategorized
Published May 28, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

সিডনিসহ অস্ট্রেলিয়া জুড়ে ঈদ উদযাপন, প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা

স ডন সহ অস ট র ল – অস্ট্রেলিয়ায় সিডনি, ক্যানবেরা ও মেলবোর্নে বসবাস করে বাংলাদেশি প্রবাসীদের সহযোগে মুসলিম সম্প্রদায় পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপন করেছেন, যেখানে উৎসাহ ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্যে জুড়ে পরিবেশ ছিল। স্থানীয় চাঁদ দেখা কমিটি এবং ইমাম কাউন্সিলের বিভিন্ন সিদ্ধান্তের কারণে দেশটিতে ঈদ দুই দিনে পালিত হয়েছে। প্রথম দিন আবহাওয়া সূর্যোদয়ের চমৎকার রূপে ছিল, কিন্তু দ্বিতীয় দিন বৃষ্টির আকাশ দেখা গেল।

ঈদ আনন্দ নির্ভর করেছে সম্প্রদায়ের একত্র সাজসরাস

অস্ট্রেলিয়ার অধিকাংশ মুসলিম ঈদের নামাজ প্রথম দিন পালন করেছেন ইমাম কাউন্সিলের পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী। এই দিনে লাকেম্বা এলাকার দাওয়াত ইসলামী ও ফয়জান-ই-মদিনা ইসলামিক সেন্টারে বিশাল জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছিল। তবে স্থানীয় চাঁদ দেখা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বৃহস্পতিবার অনেক প্রবাসী দ্বিতীয় দিনে উদযাপন করেছেন। যদিও আবহাওয়া বিপর্যয়ে স্থানীয় পার্ক ও মসজিদে ঈদের নামাজ পড়া হয়েছিল বেশ কিছু দিন ধরে সিডনিতে বসবাস করেন রিজওয়ান চৌধুরী। তিনি বলেন, “ঈদ দুই দিনে হওয়ায় উৎসবের আমেজটা ভিন্ন হয়েছিল। প্রথম দিন বন্ধুদের বাসায় গিয়েছিলাম, দ্বিতীয় দিন নিজেদের সাজসরাস করেছি। ঝঞ্ঝাটা মেঘাচ্ছন্ন আবহাওয়ায় ঈদের আনন্দ কমেনি।”

ঈদের পরিবেশে সম্প্রদায়ের সমাজ গঠনে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে

অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি অ্যালবানিজ মুসলিম সম্প্রদায়ের প্রতি বিশেষ শুভেচ্ছাবার্তা প্রকাশ করেছেন। তিনি তাঁর বার্তায় সুনির্দিষ্ট ও বিশাল খোলা মাঠ বা স্থায়ী ঈদগাহ না থাকার কারণে প্রবাসী বাংলাদেশিরা পার্ক এবং সেন্টারে নামাজ পড়েছেন। সর্বসাধারণ মানুষ এবং কোরবানির জন্য নিয়ম ভিন্ন হয়েছে। স্থানীয় হালাল মাংসের দোকানে পূর্ব থেকে ফরমাশ দেওয়া হয় কোরবানি জন্য।

অস্ট্রেলিয়ায় কোরবানি দেওয়ার নিয়ম ভিন্ন। আমরা ঈদের আগে স্থানীয় হালাল মাংসের দোকানে ফরমাশ দেওয়া হয়। দোকান মালিকরা নিজস্ব তত্ত্বাবধানে ফার্মে কোরবানি সম্পন্ন করে মাংস সুন্দরভাবে কেটে ঈদের দিন বা তার পরের দিন আমাদের বাড়িতে পৌঁছে দেন। এতে ঝামেলা মুক্তভাবে ধর্মীয় দায়িত্ব পালন করা যায�

Leave a Comment