জামায়াত সেক্রেটারি জেনারেলের বইয়ের মোড়ক উন্মোচনে জুলুম ও নির্যাতনের স্মৃতি উঠে এল
জ ম য় ত স ক র – বুধবার বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবের আবদুস সালাম মিলনায়তনে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের লেখা পাঁচটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়। সামনে আসা কারাজীবনের অভিজ্ঞতা ও রাজনৈতিক জীবনের বিভিন্ন ঘটনা নিয়ে আলোচনা হয়।
কারাগারে কাটানো সময়ের স্মৃতি তুলে ধরা হয়
অনুষ্ঠানে পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন ও আবদুস সালাম পিন্টু সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতারা অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে কারাজীবনে দুর্ভোগ ও ঐক্যবদ্ধতা সম্পর্কে আলোচনা হয়। বিভিন্ন জেলে থাকার কারণে ডায়েরিগুলো সংরক্ষণ করা কঠিন ছিল।
মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘ডায়েরিতে স্মৃতিগুলো লিখে রাখতাম। কিন্তু কারাগারে থাকা অবস্থায় কখনো ভাবিনি যে একদিন বই আকারে লেখাগুলো প্রকাশ করতে পারব। সেই সময় মনে হতো আর মুক্তি মিলবে না।’
তিনি আরও বলেন, ‘জুলাই অভ্যুত্থানের সময় কারাগারে সর্বনিম্ন ১২ দিন ছিলাম। শেখ হাসিনার সরকারের সময় ১১-১২ বার জেলে গিয়েছি। এর মধ্যে সর্বোচ্চ সাড়ে ছয় মাস কারাগারে ছিলাম।’
নেতাদের মধ্যে কারাজীবনের যোগসূত্র
পানিসম্পদমন্ত্রী এ্যানি বলেন, ‘এক-এগারোর সময় ব্যারিস্টার আরমানের বাবা মীর কাসেম আলীর সঙ্গে কাশিমপুর কারাগারে দেখা হয়েছিল। তাঁর কাঁঠাল খাওয়ার পছন্দ ছিল। সেই কারণে আমি তাঁকে কাঁঠাল পাঠাতাম। ওই সব কাঁঠালগাছ থেকে কাঁঠাল কেটে খাওয়াতাম।’
পানিসম্পদমন্ত্রী আরও জানান, ‘মিয়া গোলাম পরওয়ার আমাকে দাওয়াত করে খাওয়াতেন। সকালে নাশতা করাতেন। আমাদের নামাজের ইমাম ছিলেন জামায়াতের বর্তমান আমির শফিকুর রহমান।’
অনুষ্ঠানে মিয়া গোলাম পরওয়ার আরও আহ্বান জানান, ‘দেশের মানুষ যেন আর কখনো জুলুম-নির্যাতনের কালো অধ্যায় দেখে না। অতীতের সেই দুঃসময় থেকে শিক্ষা নিয়ে সবাই জাতীয় স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।’
বইগুলো প্রকাশিত হয়েছে প্রচ্ছদ প্রকাশনী থেকে
বই পাঁচটি হলো—‘লৌহকপাটের অন্যজীবন’, ‘মুমিনের শ্রেষ্ঠ হাতিয়ার সালাত ও সবর’, ‘মুমিনের জীবনে নিয়ামত ও মুসিবত’, ‘ঈমানের উন্নতি’ ও ‘কল্যাণরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় মুহাম্মাদুর রাস
